
কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘুরে দেখা যায়, সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন গন্তব্যে অন্তত আটটি ট্রেন ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে শুধু বুড়িমারী এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে যেতে পারেনি। ফলে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষমাণ যাত্রীরা গরমে দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা বেশি কষ্টে পড়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ওয়াগনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার টাকা। একটি ওয়াগনে সর্বোচ্চ ১৬টি গরু পরিবহন করা যাচ্ছে।

স্টেশনে ঢোকার আগে প্রথম ধাপে যাত্রীদের টিকিট পরীক্ষা করছেন টিটিরা। এরপর প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে দ্বিতীয় দফায় আবারও টিকিট চেক করা হচ্ছে। যাঁদের টিকিট নেই, তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে স্ট্যান্ডিং টিকিট দেওয়া হচ্ছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ছিল ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ঈদের আগের দিনের মতো আজও সকাল থেকে যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী ট্রেনগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ বেশি দেখা গেছে।