
সকালে অ্যালার্ম বাজার পর হাত বাড়িয়ে ‘স্নুজ’ বাটন চাপা অনেকেরই অভ্যাস। ৫ মিনিট পর আবার অ্যালার্ম, আবার স্নুজ। এভাবে কয়েক দফা চলার পর অবশেষে বিছানা ছাড়েন অনেকে। দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে, এই অভ্যাস নাকি মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বিষয়টি এতটা সরল নয়।

বিজ্ঞান বলছে, পাখির গান বা ‘ডন কোরাস’ কেবল শোনার জন্য মনোরম, তা নয়—এটি আমাদের মস্তিষ্কের জন্য এক অনন্য মহৌষধ। ভোরের পাখির মিষ্টি সুর আমাদের মন থেকে দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। যখন মানুষ পাখির ডাক শোনে বা পাখি দেখে, তখন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি কয়েক...

অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করেছেন, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো অর্জনের ঠিক আগমুহূর্তে আমরা এমন কিছু করে বসি, যাতে পুরো পরিকল্পনাটিই ভণ্ডুল হয়ে যায়। ধরুন, আগামীকাল আপনার গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা বা মিটিং, কিন্তু আপনি সারা রাত জেগে অযথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করলেন। একেই বলে ‘সেলফ-সাবোটাজ’ বা অবচেতনভাবে নিজের

‘একলা আকাশ, একলা মাটি। এমন কথাগুলো কবিতার চরণে একাকিত্ব শুনতে রোমান্টিক মনে হয়। তবে শৈশবের নিঃসঙ্গতা আমাদের মস্তিষ্কের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদি বিষ। আমরা অনেকেই মনে করি, বড় হলে ছোটবেলার কষ্টগুলো মুছে যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। শৈশবের সেই বন্ধুহীন দিনগুলো বৃদ্ধ বয়সে আপনার স্মৃতিশক্তি