
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর শেষবারের মতো ইতিহাদে নামবেন পেপ গার্দিওলা। দীর্ঘ ১০ বছর তাঁর অধীনে অসংখ্য মনে রাখার মতো স্মৃতি রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটিতে। ২০২৫-২৬ মৌসুম শেষে বিদায়ের ঘোষণা যেহেতু দিয়ে ফেলেছেন, এখন সিটির নতুন কোচ তো খুঁজতেই হবে। ভবিষ্যৎ কোচ কেমন হতে হবে, তার একটা নমুনা দিয়ে রেখেছেন গার্দিওলা।

ফুটবলে কিছু বিদায় থাকে, যা কেবল একজন কোচ বা খেলোয়াড়ের প্রস্থান নয়—একটি সময়ের সমাপ্তি। পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি অধ্যায়ের শেষটাও তেমনই। দশ বছর আগে তিনি যখন ইংল্যান্ডে পা রেখেছিলেন, তখন ম্যানচেস্টার সিটির ছিল ধনী, উচ্চাভিলাষী একটি ক্লাব; সাফল্য ছিল, সামর্থ্যও ছিল। কিন্তু ছিল না কোনো চিরস্থায়ী ফ

ভাইটালিটি গ্রাউন্ডে গতকাল ম্যাচ শেষে আর্লিং হালান্ডের মুখে হাত দিয়ে দাঁড়ানোর ছবিটাই হয়ে থাকল ম্যানচেস্টার সিটির প্রতীকী ছবি। যে প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সিটি একরকম অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছিল, এবার তারা কাছাকাছি এসেও জিততে পারল না শিরোপা। চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার হতাশা ঘিরে ধরেছে কোচ পেপ গার্দিওলাকে।

টানা ব্যর্থতার মাঝে লিগ কাপ যেন ফুল হয়ে ফুটল ম্যানচেস্টার সিটির জন্য। ফর্মের তুঙ্গে থাকা আর্সেনালকে ফাইনালে ২-০ গোলে হারিয়ে মৌসুমের প্রথম শিরোপার দেখা পেল তারা। এই উপলক্ষ্যটা দলটির প্রধান কোচ পেপ গার্দিওলার জন্য ছিল একটু বেশিই আনন্দদায়ক এবং নিভতে বসা প্রদীপে জ্বালানি দেওয়ার মতো।