
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে জেসমিন ওরফে কারিমা (৮) ও ইসরাত খাতুন ওরফে বুড়ি (৭) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে বাখর আলী ঘাট এলাকায় রাজশাহী থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন ৩৭ যাত্রী। বাস থেকে নেমে যাওয়ার কয়েক মুহূর্ত পরই সেটি নদীতে তলিয়ে যেতে দেখে হতবাক হন তাঁরা। অনেকে মনে করছেন, প্রশাসনের নিরাপত্তামূলক সিদ্ধান্ত না থাকলে আজ শুক্রবারের এই ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিতে পারত।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া এসবি পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে এদিন বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার সহায়তায় বাসটি উদ্ধার করা হয়।

ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্প একটি অত্যন্ত অপরিণত এবং অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত। পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে আলোচনা করার আগে আমাদের আরও মৌলিক একটি বিষয় মোকাবিলা করা প্রয়োজন। ফারাক্কা ব্যারাজের কারণে বাংলাদেশ শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পায় না। চুক্তি সইয়ের পরও আমরা ধারাবাহিকভাবে...