.gif)

কুরাসাও হয়তো মানচিত্রে ছোট, কিন্তু কোমেনেনসিয়ার হাত ধরে তাদের ফুটবলের আকাশটা আজ সীমানাহীন। জার্মানির কাছে ম্যাচটিতে হয়তো শেষ পর্যন্ত তারা হারতে পারে, কিন্তু প্রথমবার বিশ্বকাপে নেমেই গোলের যে অনাবিল আনন্দে ভাসল দ্বীপরাষ্ট্রটি, তার জন্য যে ভাগ্যের ছোঁয়া লাগে—সেই ভাগ্যটা নিজের সাহসের জোরেই ঠিকঠাক কাজে
বিস্তারিত পড়ুন
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শুরুটা হয়েছে হতাশাময়। মরক্কোর সঙ্গে ড্র করেছে সেলেসাওরা। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের হয়ে এদিন মাঠে নামেননি দলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। মাঠে না নামলেও সতীর্থদের সঙ্গে ছিলেন এই ফরোয়ার্ড; সেটা অন্য ভূমিকায়।

বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার স্বপ্ন ভেঙে গেছে সোমালিয়ান রেফারি ওমর আরতানের। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় চলমান বিশ্বকাপের ম্যাচ রেফারির তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। তবে ম্যাচ পরিচালনা করতে না পারলেও বিশ্বকাপের জন্য নির্ধারিত পুরো বেতনই পাচ্ছেন এই রেফারি।

নেস্তোরি ইরানকুন্দের জন্ম তানজানিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে। সেখান থেকে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে ইতিহাস গড়া। ২০ বছর বয়সী ফুটবলারের গল্পটা তাই বাস্তবের এক অনুপ্রেরণামূলক উপাখ্যান হয়ে থাকল। মজার ব্যাপার হলো, এই উইঙ্গারের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেকে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম। ২০২৪ সালের জুনে এশিয়ান অঞ্

তিন দিন আগেই আজকের পত্রিকাকে বলা সাকিব আল হাসানের কথাটা ছড়িয়ে পড়েছিল, ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ দেখবেন। আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও ব্রাজিলের জার্সি পরে ব্রাজিলের ম্যাচ দেখতে যাবেন সাকিব। নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের জেরিকোর এক কফিশপে যা বলেছিলেন, তা-ই করে দেখালেন।

স্কোরকার্ড দেখে অনেক সময় ম্যাচের পুরোটা বোঝা যায় না। এই যেমন অস্ট্রেলিয়া-তুরস্ক ম্যাচের স্কোরকার্ড। ২-০ গোলের জয় দেখে একপেশে মনে হতেই পারে। কিন্তু ভ্যাঙ্কুভারে তুরস্ক আজ যেভাবে একের পর এক আক্রমণ করেছে, সেটা দারুণভাবে সামলেছে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ বিভাগ।

মর্নিং শোজ দ্য ডে—বহুল প্রচলিত ইংলিশ প্রবাদ বাক্যটি অনেকেরই জানা। তবে আজ মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি কথার সুর উপরোক্ত প্রবাদের বিপরীতই। এখনই হাল ছাড়তে নারাজ আনচেলত্তি।


মেটলাইফের মিডিয়া সেন্টারে ঢুকতেই চোখে পড়ল এক সুদর্শন ‘ফুটবল-পণ্ডিত’ হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে (বেশির ভাগই ব্রাজিলীয়) টানা সাক্ষাৎকার দিয়ে চলেছেন। আরে এ তো দেখি পাতো, আলেক্সান্দরে পাতো। সেই পাতো, যিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল, ‘সবচেয়ে বড় অপূর্ণ সম্ভাবনাগুলোর একজন’।

নিউ জার্সির ৮২ হাজার ৫০০ দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অতিকায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হচ্ছে আজ বাংলাদেশ সময় ভোররাতে। রাত ৪টায় ব্রাজিল-মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে শুরু নিউইয়র্ক-নিউ জার্সির বিশ্বকাপযাত্রা।

নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোস। নামটা শুনলেই সবার আগে আসবে ইউএস ওপেন। ইউএস ওপেনের ভেন্যুই তো এটি। সেই টেনিস ভেন্যুতে কিনা প্রথমবারের মতো পা রাখা জোকোভিচ-আলকারাজদের কোনো দ্বৈরথ দেখতে নয়; বিখ্যাত টেনিস কোর্টে প্রথমবারের মতো আসা ফুটবল উপলক্ষে।

ট্রাই মানে ‘তিন’, আর স্প্যানিশ ভাষায় ওন্ডা শব্দের অর্থ ‘ঢেউ’। তিন আয়োজক দেশের ফুটবলের ঢেউয়ে মেতে উঠবে পুরো বিশ্ব। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার প্রতি সম্মান রেখে বলের নকশায় লাল, সবুজ ও নীল রং ব্যবহৃত হয়েছে। চার প্যানেলের নকশা বলে ঢেউয়ের মতো জ্যামিতি তৈরি করেছে; যা নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য দেখায়। প্যানেলগুলো মিলে বলের মাঝে একটি ত্রিভুজ তৈরি করেছে। এ ছাড়া বলে তিন দেশের প্রতীক খোদাই করে তুলে ধরা হয়—কানাডার ম্যাপল পাতা, মেক্সিকোর ঈগল ও যুক্তরাষ্ট্রের তারকা। বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি সম্মান জানিয়ে বলে রাখা হয়েছে সোনালি রংয়ের আভাও।
অ্যাডিডাসের তৈরি এই বলে ব্যবহৃত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও।চার প্যানেলের নকশায় থাকা গভীর সেলাই, বলের গতিপথে সমানভাবে টান সৃষ্টি করে। ফলে বাতাসে থাকার সময় বলের স্থিতিশীলতা বেড়ে যায়। খোদাই করা প্রতীকগুলো ভেজা ও আর্দ্র পরিবেশে বলের গ্রিপ আরও শক্ত করে তুলবে।
গত বিশ্বকাপের মতো এবারও বলের ভেতর থাকছে ৫০০ হার্জ সেন্সরের চিপ; যা রেফারির সিদ্ধান্তকে নির্ভুল হতে সহায়তা করে। বিশেষ করে অফসাইড ও হ্যান্ডবলের ক্ষেত্রে বলের নড়াচড়ার প্রতিটি মুহূর্ত রিয়েল টাইমে ভিএআরের কাছে পাঠায়। চিপটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার সিগনাল পাঠায়, যা একটি প্যানেলের নিচে বসানো। বলের অন্য তিনটি প্যানেল চিপযুক্ত প্যানেলের ভারসাম্য রক্ষা করে।

পূর্বাপর জানা না থাকলেও একনজর দেখেই যে কেউ বলে দিতে পারবে এটি ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালের ‘২৬’ সংখ্যাটাকে পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করে তার ওপর বিশ্বকাপের ট্রফি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অফিশিয়াল লোগোয় আয়োজনের সাল ও ট্রফির ব্যবহার এই প্রথম। বাইরের এজেন্সির সহায়তা নিয়ে এই লোগোর ডিজাইন করেছে ফিফার ব্র্যান্ড টিম। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন দেশের মোট ১৬টি ভেন্যুতে হচ্ছে বিশ্বকাপ। প্রতিটি আয়োজক শহর নিজেদের স্বকীয়তা তুলে ধরতে ‘২৬’ লেখাটায় নিজেদের মতো করে রং ও আইকোনোগ্রাফির ব্যবহার করতে পারবে।

ম্যাপল, জায়ু ও ক্লাচ—এই তিন মিলিয়েই এবারের মাসকট। টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক তিন দেশের প্রতিনিধিও তারা। ম্যাপল দ্য মুজ কানাডার, জায়ু দ্য জাগুয়ার মেক্সিকোর আর ক্লাচ দ্য বাল্ড ইগল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি।
কানাডার সব প্রদেশ ও অঞ্চল ঘুরে বেড়িয়ে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করাই ম্যাপলের কাজ। শহুরে সাজ ও সংগীতপ্রেমী ম্যাপল একজন নিবেদিত গোলরক্ষকও। সৃজনশীলতা, দৃঢ়তা আর স্বকীয়তা ধরে রাখার মধ্য দিয়ে জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছে সে। মাঠে যেমন গোল বাঁচানোর অসাধারণ ক্ষমতা আছে, তেমনি তার হৃদয় শক্তি ও নেতৃত্বগুণে ভরপুর। অসংখ্য গল্প ও অনুপ্রেরণায় মিলিত ম্যাপল কানাডার সংস্কৃতি ও চেতনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের জঙ্গল থেকে উঠে এসে জায়ু মেক্সিকোর সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও প্রাণবন্ত সংস্কৃতিকে ধারণ করে। তার নামের মধ্যেই শোভা পায় একতা, শক্তি ও আনন্দের বার্তা। মাঠে সে ধুরন্ধর ও ক্ষিপ্রগতির স্ট্রাইকার। মাঠের বাইরে সে নাচ, খাদ্য ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে। সীমান্তের বাধা পেরিয়ে জায়ু তাই সাংস্কৃতিক উৎসব, ঐক্য ও সংযোগের প্রতীক।
সীমাহীন কৌতূহল, উৎসাহ ও আশাবাদের সঙ্গে উড়ে বেড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্কৃতি, খেলার মুহূর্ত ধারণ করে ক্লাচ। মাঠে সে একজন নির্ভীক মিডফিল্ডারের মতো উজ্জীবিত করে পুরো দলকে। লক্ষ্য এবং খেলার আবেগের সঙ্গে জীবনকে উজ্জীবিত করার বার্তা নিয়ে উড়ে বেড়ায় সে।
বিশ্বকাপের কোন দল কেমন
























১৯৩০ থেকে ২০২২·এক নজরে ইতিহাসের সংখ্যা
আসর সম্পন্ন
ফিফা বিশ্বকাপ
মোট গোল
গড় ২.৮২ গোল/ম্যাচ
মোট ম্যাচ
১৯৩০–২০২২
হোস্ট জয়
নিজ মাঠে শিরোপা
মিরোস্লাভ ক্লোসা
১৬রোনালদো
১৫গের্ড মুলার
১৪জাস্ত ফন্টেইন
১৩লিওনেল মেসি
১৩পেলে
১২সর্বোচ্চ গোলের আসর:
২০২২ (কাতার) | ১৭২ গোল
৬৪ ম্যাচ | চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা

এক আসরে সর্বোচ্চ গোল:
জাস্ত ফন্টেইন (ফ্রান্স, ১৯৫৮) | ১৩ গোল

গোল্ডেন বল জয়ী
২০১৪: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১৮: লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)
২০২২: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

ব্রাজিলকে রুখে দিল মরক্কো, ৩৬ বছর পর স্কটল্যান্ডের জয়

কানাডার ড্র, যুক্তরাষ্ট্রের উড়ন্ত জয়
তিন লাল কার্ডের ম্যাচ, হিমেনেসের কান্না, ছবিতে ছবিতে দেখে নিন মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের কিছু মুহূর্ত

স্ত্রীর জন্য ফটোগ্রাফার হলেন মেসি

ছবিতে ছবিতে ইংল্যান্ড-ওয়েলস ম্যাচ

ছবিতে ছবিতে কাতার বিশ্বকাপের উৎসবমুখর পরিবেশ

প্রশংসায় ভাসছে ‘সামুরাই ব্লু’

ছবিতে ছবিতে বেলজিয়াম-কানাডা ম্যাচ

বার্সেলোনার রাফিনিয়া ব্রাজিলের হতে পারবেন কি?





আটলান্টা মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম

ডালাস

সিয়াটল স্টেডিয়াম

কানসাস সিটি

নিউজার্সি স্টেডিয়াম

বোস্টন

ফিলাডেলফিয়া

মায়ামি স্টেডিয়াম

লস অ্যাঞ্জেলেস

সান ফ্রান্সিসকো

হিউস্টন স্টেডিয়াম
এই ম্যাচে কে জিতবে?