
অনেক আগেই ফুটবল ছেড়েছেন মতিউর মুন্না। বুট তুলে রেখে পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী বনে গেছেন। সাবেক এই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারকে দেশের ফুটবলের কোথাও পাওয়া যায় না এখন। সংবাদমাধ্যমের সামনেও হাজির হন না খুব একটা। কালেভদ্রে কোনো দরকারে দেশের ফুটবলের এক সময়কার তারকাকে পাওয়া যায় মুঠোফোনে।

অবশেষে এল সেই মুহূর্ত। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই গ্যালারিতে ছড়িয়ে পড়ল আনন্দ। হামজা চৌধুরী লুটিয়ে পড়লেন মাটিতে। শমিত শোম জড়িয়ে ধরলেন কিউবা মিচেলকে। এমন জয়ের তৃপ্তি পেতে কত বছরের অপেক্ষা করতে হয়েছে, তা নিশ্চয়ই জানেন। তারপরও বলে দিই—অপেক্ষাটা ২২ বছরের।

হামজা চৌধুরী-শমিত সোমকে পাওয়ার পরও কোচ হাভিয়ের কাবরেরা সমর্থকদের কৌশলে মন ভরাতে পারছেন না। একের পর এক ম্যাচে তাঁর সঙ্গে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশও। প্রতিবার জয়ের আশ্বাস দিয়ে সেটা পূরণ করতে পারছেন না তিনি। তবে এবার নিশ্চয়তা দিয়েই বললেন জয় আসবে। আর সেটা ভারতের বিপক্ষে।

শিলংয়ে এ বছরের মার্চে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হামজা চৌধুরীর। সেই ম্যাচে হামজা কীভাবে রাঙিয়েছিলেন, সেটা কারও অজানা নয়। গোল হয়তো পাননি, কিন্তু ফুটবল শৈলীতে মুগ্ধ করেছেন ভক্তদের। আট মাস পর ফের যখন বাংলাদেশ-ভারত মুখোমুখি হচ্ছে, তখন ঘুরেফিরে আসছে হামজার কথা।