সম্পাদকীয়

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে—দেশের কোথায় আজ নারীরা নিরাপদ? শুধু কি নারী? কোন কারণে কোথায় কে কখন হবেন গণপিটুনির শিকার, কাকে রাস্তায় ধরে কারও দোসর নাম দিয়ে হত্যা করা হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত দেশের মানুষ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, যখন কোথাও কেউ নিরাপদ নয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে কী বলবেন, তা জানতে ইচ্ছে করে। আমাদের দেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকারের বিভিন্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নানা ধরনের মন্তব্য করে হাসির খোরাক হয়েছেন। তাঁদের মন্তব্যে আর যা-ই হোক দেশের নিরাপত্তা জোরদার হয়নি। বরং ভবিতব্যের ওপর মানুষের জীবন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্ত্রীসহ এক ভ্যানচালক যাচ্ছিলেন মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকা দিয়ে। পথে শেষ হয়ে যায় ভ্যানের ব্যাটারির চার্জ। রাত তখন ২টা। নিরাপত্তার জন্য তাঁরা অবস্থান নেন মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের সামনে। হাসপাতালে ডিউটিতে থাকা দুই আনসার সদস্যের ওপর ভরসা রাখেন তাঁরা। কিন্তু এই ভরসা রাখাই কাল হলো। ভ্যানচালকের স্ত্রীকে নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁরা ধর্ষণ করেন। অসহায় নারী ফিরে এসে স্বামীকে এই ঘটনা জানান। তখন স্থানীয়দের সহায়তায় থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে।
আনসার বাহিনীর সদস্যদের কি নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয় না? তাঁরা কি তাঁদের কাজের পরিধি ও মূল্য জানেন না? যতটুকু সাধারণ মানুষ জানে, তাতে বলা যায়, সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা প্রদান করা তাদের কাজের অংশ। সরকারি অফিস-আদালত, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়াও তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার পুলিশের সহযোগী হিসেবেও কাজ করে থাকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাও তাদের কর্মক্ষেত্র। আরও অনেক কাজ আছে তাদের। মোটা দাগে যা বলা হলো, তাতে পরিষ্কার হয়, আনসার বাহিনীর সদস্য হতে হলে তাঁর নৈতিক বল সমুন্নত থাকতে হবে। কিন্তু মানিকগঞ্জের এই দুই আনসার সদস্য আসলে কোন নৈতিক বলে বলীয়ান হয়ে ধর্ষণ করলেন এই গৃহবধূকে, সে প্রশ্নের কোনো উত্তর কি পাওয়া যাবে?
যৌন বিকৃতির অনেক কারণ আছে। মনোবিদেরা সে ব্যাপারে বিশদ বলতে পারবেন। তবে স্মার্টফোনে ভালোর পাশাপাশি মন্দ কিছু দেখার সুযোগ থাকায় সেই নেতিবাচক বিষয়গুলো মানুষের মনে বিকৃতির জন্ম দেয়, এ কথা বলা যায়। নৈতিক চরিত্র সমুন্নত রাখতে হলে পারিবারিক ও শিক্ষালয়ের পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন মানুষের নৈতিক স্খলন ঠেকানোর জন্য এই দুই প্রতিষ্ঠানের মূল্য অনেক। নৈতিক শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিবার ও শিক্ষালয়গুলো কতটুকু ঠিক ভূমিকা পালন করতে পারছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। চাকরিক্ষেত্রেও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া এবং তা গ্রহণ করতে পারার যোগ্যতাও ব্যাপার বটে। মানুষের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা যার কাজ, সে-ই যদি মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে আসে, তাহলে বাঁচার উপায় কী?
বিচারের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি হোক এই দুই দুশ্চরিত্র আনসার সদস্যের।

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে—দেশের কোথায় আজ নারীরা নিরাপদ? শুধু কি নারী? কোন কারণে কোথায় কে কখন হবেন গণপিটুনির শিকার, কাকে রাস্তায় ধরে কারও দোসর নাম দিয়ে হত্যা করা হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত দেশের মানুষ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, যখন কোথাও কেউ নিরাপদ নয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে কী বলবেন, তা জানতে ইচ্ছে করে। আমাদের দেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকারের বিভিন্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নানা ধরনের মন্তব্য করে হাসির খোরাক হয়েছেন। তাঁদের মন্তব্যে আর যা-ই হোক দেশের নিরাপত্তা জোরদার হয়নি। বরং ভবিতব্যের ওপর মানুষের জীবন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্ত্রীসহ এক ভ্যানচালক যাচ্ছিলেন মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকা দিয়ে। পথে শেষ হয়ে যায় ভ্যানের ব্যাটারির চার্জ। রাত তখন ২টা। নিরাপত্তার জন্য তাঁরা অবস্থান নেন মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের সামনে। হাসপাতালে ডিউটিতে থাকা দুই আনসার সদস্যের ওপর ভরসা রাখেন তাঁরা। কিন্তু এই ভরসা রাখাই কাল হলো। ভ্যানচালকের স্ত্রীকে নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁরা ধর্ষণ করেন। অসহায় নারী ফিরে এসে স্বামীকে এই ঘটনা জানান। তখন স্থানীয়দের সহায়তায় থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে।
আনসার বাহিনীর সদস্যদের কি নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয় না? তাঁরা কি তাঁদের কাজের পরিধি ও মূল্য জানেন না? যতটুকু সাধারণ মানুষ জানে, তাতে বলা যায়, সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা প্রদান করা তাদের কাজের অংশ। সরকারি অফিস-আদালত, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়াও তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার পুলিশের সহযোগী হিসেবেও কাজ করে থাকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাও তাদের কর্মক্ষেত্র। আরও অনেক কাজ আছে তাদের। মোটা দাগে যা বলা হলো, তাতে পরিষ্কার হয়, আনসার বাহিনীর সদস্য হতে হলে তাঁর নৈতিক বল সমুন্নত থাকতে হবে। কিন্তু মানিকগঞ্জের এই দুই আনসার সদস্য আসলে কোন নৈতিক বলে বলীয়ান হয়ে ধর্ষণ করলেন এই গৃহবধূকে, সে প্রশ্নের কোনো উত্তর কি পাওয়া যাবে?
যৌন বিকৃতির অনেক কারণ আছে। মনোবিদেরা সে ব্যাপারে বিশদ বলতে পারবেন। তবে স্মার্টফোনে ভালোর পাশাপাশি মন্দ কিছু দেখার সুযোগ থাকায় সেই নেতিবাচক বিষয়গুলো মানুষের মনে বিকৃতির জন্ম দেয়, এ কথা বলা যায়। নৈতিক চরিত্র সমুন্নত রাখতে হলে পারিবারিক ও শিক্ষালয়ের পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন মানুষের নৈতিক স্খলন ঠেকানোর জন্য এই দুই প্রতিষ্ঠানের মূল্য অনেক। নৈতিক শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিবার ও শিক্ষালয়গুলো কতটুকু ঠিক ভূমিকা পালন করতে পারছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। চাকরিক্ষেত্রেও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া এবং তা গ্রহণ করতে পারার যোগ্যতাও ব্যাপার বটে। মানুষের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা যার কাজ, সে-ই যদি মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে আসে, তাহলে বাঁচার উপায় কী?
বিচারের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি হোক এই দুই দুশ্চরিত্র আনসার সদস্যের।

‘বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে’ প্রবাদটিই যেন সত্যে প্রমাণিত হতে চলেছে খুলনা নগরের উপকণ্ঠে রূপসা সেতুর নিকটবর্তী মাথাভাঙ্গা মৌজার ৩২টি দরিদ্র ও শ্রমজীবী পরিবারের মানুষের কাছে। কারণ, এখানে বসবাসরত পরিবারগুলোর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। জায়গাটি একসময় বিরান ভূমি ছিল।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের আমেজে ভাসছে দেশ। তারপরও কেমন যেন একটা চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে মানুষের মনে। কী হবে সামনে, তা নিয়ে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ চিন্তকও নির্দ্বিধায় কোনো মন্তব্য করতে পারবেন বলে মনে হয় না। নির্বাচন কি সেই হতাশাজনক পরিস্থিতিকে পেছনে ফেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে?
৯ ঘণ্টা আগে
জানুয়ারি মাস চলছে নতুন বছরের। আর ২৭ দিন পরেই ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি, এই নির্বাচন হবে ইতিহাসের অন্যতম একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সুষ্ঠু তো বটেই। তাদের আরও দাবি হলো, বিগত ১৭ বছরে যা হয়নি এক বছর কয়েক মাসে সেটা করে দেখিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
৯ ঘণ্টা আগে
বছর ঘুরতেই প্রতিবার আলোচনায় আসেন দুজন ভবিষ্যদ্বক্তা। তাঁদের একজন বুলগেরিয়ার রহস্যময় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা, যাঁর প্রকৃত নাম ভ্যানগেলিয়া প্যানদেভা দিমিত্রোভা। অপরজন ফরাসি ভবিষ্যদ্বক্তা নস্ত্রাদামুস ওরফে মিশেল দ্য নোস্ত্রদাম। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।
১ দিন আগে