জনপ্রশাসন সংস্কার
অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত না রেখে আলাদা কমিশনে রাখার যে সুপারিশ জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন করতে যাচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা। অন্যদিকে উপসচিব পদে পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কোটা কমানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আজ বুধবার বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন, বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন থেকে পাঠানো পৃথক পৃথক প্রতিবাদলিপি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, কমিশনের এ ধরনের সুপারিশ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বৈষম্যবিরোধী মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এ সুপারিশ প্রত্যাহার করা না হলে কার্যকর প্রশাসনিক সংস্কার ব্যর্থ হবে। এতে আরও বলা হয়, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করে এমন প্রস্তাবনা তৈরি এবং গণমাধ্যমে প্রচার সুবিবেচনাপ্রসূত নয়। শিক্ষা খাতে অস্থিরতা তৈরি করে সরকারকে অস্থিতিশীল করার এটি কোনো ষড়যন্ত্র কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত। এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষা প্রশাসন এবং সংস্কার কার্যক্রমে স্থবিরতা এলে অ্যাসোসিয়েশন কোনো দায় নেবে না।
বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন প্রতিবাদলিপিতে জানায়, স্বাস্থ্যকে ক্যাডারবহির্ভূত করার যে সুপারিশ করা হয়েছে, তা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেধাবৃত্তিক জনপ্রশাসন তৈরি ও বৈষম্যবিরোধী মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই সুপারিশ প্রত্যাহার না হলে প্রশাসনিক সংস্কার ব্যর্থ হবে।
এতে আরও বলা হয়, এ রকম সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও জনগণের প্রান্তিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবাপ্রাপ্তির কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিতে পারে। কোনো ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতির দায়ভার বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন বহন করবে না।
অন্যদিকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে উপসচিব পদে পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কোটা কমাতে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের করতে যাওয়া সুপারিশের প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, উপমহাদেশে সিভিল সার্ভিসের ইতিহাসে সব সময়েই প্রশাসন ক্যাডার বা সার্ভিসের লোকেরাই উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে কাজ করে আসছেন। কিছু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল মানুষকে এই বলে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে, এই পদগুলো প্রশাসন ক্যাডার প্রিভিলেজ হিসেবে পান, যেটি রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রতিফলন।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত না রেখে আলাদা কমিশনে রাখার যে সুপারিশ জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন করতে যাচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা। অন্যদিকে উপসচিব পদে পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কোটা কমানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আজ বুধবার বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন, বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন থেকে পাঠানো পৃথক পৃথক প্রতিবাদলিপি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, কমিশনের এ ধরনের সুপারিশ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বৈষম্যবিরোধী মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এ সুপারিশ প্রত্যাহার করা না হলে কার্যকর প্রশাসনিক সংস্কার ব্যর্থ হবে। এতে আরও বলা হয়, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করে এমন প্রস্তাবনা তৈরি এবং গণমাধ্যমে প্রচার সুবিবেচনাপ্রসূত নয়। শিক্ষা খাতে অস্থিরতা তৈরি করে সরকারকে অস্থিতিশীল করার এটি কোনো ষড়যন্ত্র কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত। এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষা প্রশাসন এবং সংস্কার কার্যক্রমে স্থবিরতা এলে অ্যাসোসিয়েশন কোনো দায় নেবে না।
বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন প্রতিবাদলিপিতে জানায়, স্বাস্থ্যকে ক্যাডারবহির্ভূত করার যে সুপারিশ করা হয়েছে, তা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেধাবৃত্তিক জনপ্রশাসন তৈরি ও বৈষম্যবিরোধী মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই সুপারিশ প্রত্যাহার না হলে প্রশাসনিক সংস্কার ব্যর্থ হবে।
এতে আরও বলা হয়, এ রকম সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও জনগণের প্রান্তিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবাপ্রাপ্তির কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিতে পারে। কোনো ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতির দায়ভার বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন বহন করবে না।
অন্যদিকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে উপসচিব পদে পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কোটা কমাতে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের করতে যাওয়া সুপারিশের প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, উপমহাদেশে সিভিল সার্ভিসের ইতিহাসে সব সময়েই প্রশাসন ক্যাডার বা সার্ভিসের লোকেরাই উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে কাজ করে আসছেন। কিছু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল মানুষকে এই বলে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে, এই পদগুলো প্রশাসন ক্যাডার প্রিভিলেজ হিসেবে পান, যেটি রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রতিফলন।
সব ধরনের ওষুধের মধ্যে দেশে পরিপাকতন্ত্রের জটিলতাবিষয়ক ওষুধ বিক্রিতে রয়েছে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে। সরকারি গবেষণায় উঠে এসেছে, এসব ওষুধ বিক্রির অঙ্ক বছরে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, জনসংখ্যার একটা বিশাল অংশ পরিপাকতন্ত্রের সমস্যায় ভুগছে।
১০ ঘণ্টা আগেবর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই পুলিশকে স্বাধীন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে প্রস্তাব দিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। এ জন্য তাঁরা দ্রুত স্বাধীন কমিশন গঠনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জোর দাবি জানান। পুলিশ সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে ‘স্বাধীন কমিশন’ গঠনের...
১০ ঘণ্টা আগেতিন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতিতে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
১০ ঘণ্টা আগেপ্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন এবং গবেষণার মাধ্যমে শ্রম অধিকার, শ্রম নীতিমালা, শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক, শ্রম অসন্তোষ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের...
১২ ঘণ্টা আগে