
ভোলায় আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের জানাজাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতা-কর্মীর বাধা ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং দলীয় হাইকমান্ড এ ধরনের ‘অতি উৎসাহী’ নেতাদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের ঢাকায় জানাজা শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের ছয় নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খন্দকার আন্না আজ মঙ্গলবার তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন...

সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজাকে কেন্দ্র করে ভোলায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জানাজার আগে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ করেন এবং উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হলে তা প্রতিহতের হুঁশিয়ারি দেন। পরে জেলা বিএনপির নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং জানাজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের জানাজা ঘিরে ভোলা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোয় দাবি করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের এই নেতার জানাজা ঠেকাতে পুলিশ ধাওয়া ও লাঠিপেটা করছে।