
অবৈধভাবে কর্মী ছাঁটাইয়ের দায়ে রেকর্ড পরিমাণ জরিমানার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম বিমান সংস্থা ‘কান্তাস’। দেশটির ফেডারেল কোর্ট কান্তাসকে ৯ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৭১০ কোটি টাকা) জরিমানা করেছেন, যা শিল্পসম্পর্কিত আইন লঙ্ঘনের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শাস্তি।
বিবিসি জানিয়েছে, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় ‘কান্তাস’ কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে তাদের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ আউটসোর্স করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে সংস্থাটির ১ হাজার ৮২০ কর্মীকে চাকরি হারাতে হয়।
আদালত রায়ে জানান, এ ধরনের সিদ্ধান্ত কর্মীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়েছে। বিচারপতি মাইকেল লি বলেন, এ জরিমানা করা হয়েছে যেন অন্য কোনো বড় প্রতিষ্ঠান এ পথে হাঁটার সাহস না দেখায়।
এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ আদালতের রায় মেনে নিয়ে কর্মীদের কাছে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেছে। কান্তাস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ভ্যানেসা হাডসন বলেছেন, ‘এ সিদ্ধান্তে আমাদের অনেক সাবেক কর্মী ও তাঁদের পরিবার সত্যিকারের কষ্ট পেয়েছেন। আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
রায়ের অংশ হিসেবে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, জরিমানার মধ্যে ৫ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার সরাসরি পরিবহনশ্রমিক ইউনিয়নকে দিতে হবে, যারা মামলাটি করেছিল। পরিবহনশ্রমিক ইউনিয়ন এই মামলাকে ‘ডেভিড বনাম গোলায়াথের পাঁচ বছরের লড়াইয়ের সমাপ্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, এ রায় বিশ্বস্ত ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের জন্য একধরনের ন্যায়বিচার।
এর আগে ২০২৪ সালে চাকরি হারানো কর্মীদের ১২ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছিল কান্তাস। তবে আদালতের এ নতুন জরিমানা সে ক্ষতিপূরণের বাইরে অতিরিক্ত শাস্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিচারপতি লি আদালতে উল্লেখ করেন, কান্তাসের করপোরেট সংস্কৃতির ওপর প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেন, কোম্পানির ‘আক্রমণাত্মক’ আইনি কৌশলে সন্দেহ রয়েছে তারা আসলেই অনুতপ্ত কি না।
এর আগে ২০২১ সালের এক রায়ে আদালত জানিয়েছিলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের আন্দোলন ঠেকাতে কর্মী ছাঁটাই করেছিল কান্তাস।
আইন বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, এত বড় অঙ্কের জরিমানার পরও এটি হয়তো পর্যাপ্ত শাস্তি নয়। কারণ, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কান্তাস আরও বেশি অর্থ সাশ্রয় করেছে। এ কারণে ভবিষ্যতে সরকার হয়তো আরও কঠোর জরিমানার বিধান করতে পারে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কান্তাস বিমান সংস্থাকে একাধিক বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে। ২০২৩ সালে এ কোম্পানিকে আগেই বাতিল করা ফ্লাইটের টিকিট বিক্রির জন্য ১০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৩ ঘণ্টা আগে