
অর্থনৈতিক চাপ ও জনবল সংকট সত্ত্বেও রাশিয়া ২০২৬ সালজুড়ে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালিয়ে যেতে পারবে। একই সঙ্গে ইউরোপের প্রতিও তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকি বাড়ছে। এমনটাই জানিয়েছে প্রভাবশালী সামরিক থিংকট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন..

চার বছর আগে শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুধু পূর্ব ইউরোপের মানচিত্রই বদলায়নি, বদলে দিয়েছে যুদ্ধের চরিত্র, কূটনীতির নিয়মকানুন এবং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য। ইউক্রেনের জন্য এই যুদ্ধ টিকে থাকার লড়াই—একদিকে রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকিয়ে ইউরোপের সীমানা রক্ষা করা এবং অন্যদিকে পশ্চিমা মিত্রদের সরাসরি...

ইউক্রেনের ছোড়া ১১টি ড্রোন ভূপাতিত করার পর নিরাপত্তার স্বার্থে মস্কোর চারটি প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরই বন্ধ করে দিয়েছে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। আজ রোববার স্থানীয় বিকেল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বিমানবন্দরগুলো থেকে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের চার বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি একদিকে যেমন একাধিক গোপন হত্যাচেষ্টা ও রাজনৈতিক কেলেঙ্কারির মুখোমুখি হয়েছেন, তেমনি অব্যাহত যুদ্ধের চাপেও নেতৃত্ব ধরে রেখেছেন।