রোকন উদ্দীন, ঢাকা

১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে রপ্তানিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে।
সব মিলিয়ে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের প্রশ্নে শিল্পের দুই প্রধান পক্ষ এখন স্পষ্টভাবে বিপরীত অবস্থানে। একদিকে শিল্প সুরক্ষার দাবি, অন্যদিকে রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের সমাধান কীভাবে আসে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, দেশীয় সুতাশিল্পের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে কম দামে সুতা আমদানি করে বাজারে ডাম্পিং করা হচ্ছে। বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর দাবি, এই ডাম্পিংয়ের কারণে দেশের সুতাশিল্প বা স্পিনিং মিলগুলো চরম সংকটে পড়েছে। গত বছরের শেষ দিকে সংগঠনটি জানায়, বাজারে প্রায় ১২০ বিলিয়ন টাকার অবিক্রীত সুতা জমে আছে। অনেক মিল উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে, কোনো কোনো মিল পুরোপুরি বন্ধও হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভারতীয় সুতা আমদানির পক্ষে যাঁরা কথা বলছেন, তাঁরা বাস্তবতা বুঝতে পারছেন না। তাঁরা অন্যায় আবদার করছেন। আমরা সুতার ডাম্পিং নয়, ন্যায্য দাম চাই। তাঁর ভাষায়, ভারত নিয়মিতভাবে কম দামে সুতা ঢুকিয়ে আমাদের বাজার দখল করছে। এতে দেশের কারখানাগুলো টিকতে পারছে না। তিনি মনে করেন, এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয়ভাবে ভ্যালু অ্যাডিশন বাড়ানো জরুরি। কারণ, ভারত যেকোনো সময় সুতা রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প বড় বিপদে পড়বে।
এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতায় দীর্ঘদিন ধরেই প্রদেয় বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়ে একমত হয়েছে। ১২ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেল থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পাঠানো চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিল অব এন্ট্রিতে সুতার কাউন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ এবং এইচএস কোডের অপব্যবহার রোধে কাস্টমসকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো, এই সুবিধা বহাল থাকায় নিম্ন কাউন্টের সুতা শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে আমদানি হয়ে দেশীয় বাজারে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। বর্তমানে মিলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও ব্যবহার হচ্ছে ৬০ শতাংশের মতো, যা শিল্পটির আর্থিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
অন্যদিকে, তৈরি পোশাক ও নিট পোশাকশিল্পের মালিকেরা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন। তাঁদের মতে, বন্ড সুবিধা তুলে দিলে আমদানি করা সুতার ওপর শুল্ক বেড়ে যাবে, ফলে আরএমজি খাতের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই উদ্বেগ তুলে ধরতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ যৌথভাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। আজ সোমবার রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা বিটিএমএ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অবস্থানের বিরোধিতা করে তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশীয় স্পিনারদের সুরক্ষা প্রয়োজন, তবে সেটি করতে গিয়ে পোশাকশিল্পকে চাপে ফেলা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, সরকার চাইলে বিকল্প সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে স্পিনিং-শিল্পকে সহায়তা দিতে পারে। তিনি প্রস্তাব দেন, স্থানীয় সুতা ব্যবহারে নগদ সহায়তা পুনর্নির্ধারণ করে ৫ শতাংশ করা হলে দেশীয় মিল উপকৃত হবে এবং ভ্যালু অ্যাডিশনও বাড়বে।
এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাস্তবতার কথাও সামনে আনছে। ২০২৬ সালের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে গেলে রপ্তানিতে উচ্চমাত্রার স্থানীয় মূল্য সংযোজন বাধ্যতামূলক হবে। সেই প্রস্তুতি এখনই না নিলে ভবিষ্যতে পোশাকশিল্প আরও বড় চাপে পড়তে পারে; এমন আশঙ্কাই নীতিনির্ধারকদের।

১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে রপ্তানিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে।
সব মিলিয়ে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের প্রশ্নে শিল্পের দুই প্রধান পক্ষ এখন স্পষ্টভাবে বিপরীত অবস্থানে। একদিকে শিল্প সুরক্ষার দাবি, অন্যদিকে রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের সমাধান কীভাবে আসে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, দেশীয় সুতাশিল্পের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে কম দামে সুতা আমদানি করে বাজারে ডাম্পিং করা হচ্ছে। বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর দাবি, এই ডাম্পিংয়ের কারণে দেশের সুতাশিল্প বা স্পিনিং মিলগুলো চরম সংকটে পড়েছে। গত বছরের শেষ দিকে সংগঠনটি জানায়, বাজারে প্রায় ১২০ বিলিয়ন টাকার অবিক্রীত সুতা জমে আছে। অনেক মিল উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে, কোনো কোনো মিল পুরোপুরি বন্ধও হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভারতীয় সুতা আমদানির পক্ষে যাঁরা কথা বলছেন, তাঁরা বাস্তবতা বুঝতে পারছেন না। তাঁরা অন্যায় আবদার করছেন। আমরা সুতার ডাম্পিং নয়, ন্যায্য দাম চাই। তাঁর ভাষায়, ভারত নিয়মিতভাবে কম দামে সুতা ঢুকিয়ে আমাদের বাজার দখল করছে। এতে দেশের কারখানাগুলো টিকতে পারছে না। তিনি মনে করেন, এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয়ভাবে ভ্যালু অ্যাডিশন বাড়ানো জরুরি। কারণ, ভারত যেকোনো সময় সুতা রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প বড় বিপদে পড়বে।
এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতায় দীর্ঘদিন ধরেই প্রদেয় বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়ে একমত হয়েছে। ১২ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেল থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পাঠানো চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিল অব এন্ট্রিতে সুতার কাউন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ এবং এইচএস কোডের অপব্যবহার রোধে কাস্টমসকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো, এই সুবিধা বহাল থাকায় নিম্ন কাউন্টের সুতা শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে আমদানি হয়ে দেশীয় বাজারে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। বর্তমানে মিলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও ব্যবহার হচ্ছে ৬০ শতাংশের মতো, যা শিল্পটির আর্থিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
অন্যদিকে, তৈরি পোশাক ও নিট পোশাকশিল্পের মালিকেরা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন। তাঁদের মতে, বন্ড সুবিধা তুলে দিলে আমদানি করা সুতার ওপর শুল্ক বেড়ে যাবে, ফলে আরএমজি খাতের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই উদ্বেগ তুলে ধরতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ যৌথভাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। আজ সোমবার রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা বিটিএমএ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অবস্থানের বিরোধিতা করে তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশীয় স্পিনারদের সুরক্ষা প্রয়োজন, তবে সেটি করতে গিয়ে পোশাকশিল্পকে চাপে ফেলা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, সরকার চাইলে বিকল্প সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে স্পিনিং-শিল্পকে সহায়তা দিতে পারে। তিনি প্রস্তাব দেন, স্থানীয় সুতা ব্যবহারে নগদ সহায়তা পুনর্নির্ধারণ করে ৫ শতাংশ করা হলে দেশীয় মিল উপকৃত হবে এবং ভ্যালু অ্যাডিশনও বাড়বে।
এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাস্তবতার কথাও সামনে আনছে। ২০২৬ সালের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে গেলে রপ্তানিতে উচ্চমাত্রার স্থানীয় মূল্য সংযোজন বাধ্যতামূলক হবে। সেই প্রস্তুতি এখনই না নিলে ভবিষ্যতে পোশাকশিল্প আরও বড় চাপে পড়তে পারে; এমন আশঙ্কাই নীতিনির্ধারকদের।

গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ। এতে বেইজিংয়ের নির্ধারিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
১১ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে—সমালোচিত ও বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত আবুল খায়ের হিরুর এমন বার্তার পরই দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ গুণ।
১১ ঘণ্টা আগে
বন্ড সুবিধার আড়ালে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি ও রপ্তানি জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে কাস্টমসের এক তদন্তে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১৭৯ টন কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ উৎপাদনে ব্যবহার না করে ইসলামপুরসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন বাজারে
১১ ঘণ্টা আগে