নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বন্ড সুবিধার আড়ালে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি ও রপ্তানি জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে কাস্টমসের এক তদন্তে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১৭৯ টন কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ উৎপাদনে ব্যবহার না করে ইসলামপুরসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন বাজারে বিক্রি করেছে। এতে শুল্ক-কর পরিশোধ না হওয়ায় সরকারের ৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র শেষ সাত মাসেই প্রতিষ্ঠানটি ৬৪ টনের বেশি কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ আমদানি করে, যার বিপরীতে ২ কোটি ৭২ লাখ টাকার শুল্ক-কর পরিশোধ করা হয়নি।
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকার (উত্তর) প্রিভেন্টিভ টিমের এই তদন্তে দেখা গেছে, রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য দেওয়া বন্ড সুবিধা কেএলডি অ্যাপারেলস নিয়মিতভাবে অপব্যবহার করেছে। শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানি করা হলেও বাস্তবে কোনো উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হয়নি। ৮ জানুয়ারি অভিযানে গিয়ে প্রিভেন্টিভ টিম ফ্যাক্টরিতে কোনো বন্ডেড কাঁচামাল বা উৎপাদনের চিহ্ন পায়নি। বরং একটি ওয়্যারহাউসে ১৭ হাজার ৪৮৮টি ডেনিম প্যান্ট মজুত পাওয়া যায়, যদিও এই ধরনের ডেনিম কাপড় প্রতিষ্ঠানটি কখনো আমদানি করেনি। রপ্তানি নথি যাচাই করে দেখা যায়, সাত মাসে ১০ হাজার ৫০০ কেজি পোশাক রপ্তানি দেখানো হয়েছে, যার বড় অংশ নিট ফ্যাব্রিকসের তৈরি। অথচ ওই সময়ে নিট ফ্যাব্রিকস আমদানির কোনো রেকর্ড নেই।
তদন্তে আরও উঠে আসে, কেএলডি অ্যাপারেলসের নামে থাকা রপ্তানি ঘোষণাপত্র ব্যবহার করে অন্য ব্যবসায়ীদের মজুত পণ্য কাগজে-কলমে রপ্তানি দেখানো হয়েছে। আবার ইউডি ব্যবহার করে বাস্তবে রপ্তানি না করেই রপ্তানির তথ্য উপস্থাপন করা হয়। কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, এটি পরিকল্পিত রপ্তানি জালিয়াতি।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সূত্র জানায়, আগেও এফওসি সুবিধায় আমদানি করা কাপড় কার্টিং তদারকির শর্ত ভেঙে বাজারে বিক্রি করা হয়েছে, যেখানে একটি অসাধু সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে ঘুষের বিনিময়ে পণ্য ছাড় করানো হতো।
এ বিষয়ে চেষ্টা করেও কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, প্রিভেন্টিভ টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শুল্ক-কর আদায়সহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
সাবেক আমলা ফিরোজ মিয়ার মতে, দীর্ঘদিন কার্যকর নজরদারি না থাকায় এমন অনিয়ম হয়েছে, যার দায় শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, পুরো তদারকি ব্যবস্থার ওপরও পড়ে।

বন্ড সুবিধার আড়ালে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি ও রপ্তানি জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে কাস্টমসের এক তদন্তে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১৭৯ টন কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ উৎপাদনে ব্যবহার না করে ইসলামপুরসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন বাজারে বিক্রি করেছে। এতে শুল্ক-কর পরিশোধ না হওয়ায় সরকারের ৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র শেষ সাত মাসেই প্রতিষ্ঠানটি ৬৪ টনের বেশি কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ আমদানি করে, যার বিপরীতে ২ কোটি ৭২ লাখ টাকার শুল্ক-কর পরিশোধ করা হয়নি।
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকার (উত্তর) প্রিভেন্টিভ টিমের এই তদন্তে দেখা গেছে, রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য দেওয়া বন্ড সুবিধা কেএলডি অ্যাপারেলস নিয়মিতভাবে অপব্যবহার করেছে। শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানি করা হলেও বাস্তবে কোনো উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হয়নি। ৮ জানুয়ারি অভিযানে গিয়ে প্রিভেন্টিভ টিম ফ্যাক্টরিতে কোনো বন্ডেড কাঁচামাল বা উৎপাদনের চিহ্ন পায়নি। বরং একটি ওয়্যারহাউসে ১৭ হাজার ৪৮৮টি ডেনিম প্যান্ট মজুত পাওয়া যায়, যদিও এই ধরনের ডেনিম কাপড় প্রতিষ্ঠানটি কখনো আমদানি করেনি। রপ্তানি নথি যাচাই করে দেখা যায়, সাত মাসে ১০ হাজার ৫০০ কেজি পোশাক রপ্তানি দেখানো হয়েছে, যার বড় অংশ নিট ফ্যাব্রিকসের তৈরি। অথচ ওই সময়ে নিট ফ্যাব্রিকস আমদানির কোনো রেকর্ড নেই।
তদন্তে আরও উঠে আসে, কেএলডি অ্যাপারেলসের নামে থাকা রপ্তানি ঘোষণাপত্র ব্যবহার করে অন্য ব্যবসায়ীদের মজুত পণ্য কাগজে-কলমে রপ্তানি দেখানো হয়েছে। আবার ইউডি ব্যবহার করে বাস্তবে রপ্তানি না করেই রপ্তানির তথ্য উপস্থাপন করা হয়। কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, এটি পরিকল্পিত রপ্তানি জালিয়াতি।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সূত্র জানায়, আগেও এফওসি সুবিধায় আমদানি করা কাপড় কার্টিং তদারকির শর্ত ভেঙে বাজারে বিক্রি করা হয়েছে, যেখানে একটি অসাধু সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে ঘুষের বিনিময়ে পণ্য ছাড় করানো হতো।
এ বিষয়ে চেষ্টা করেও কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, প্রিভেন্টিভ টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শুল্ক-কর আদায়সহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
সাবেক আমলা ফিরোজ মিয়ার মতে, দীর্ঘদিন কার্যকর নজরদারি না থাকায় এমন অনিয়ম হয়েছে, যার দায় শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, পুরো তদারকি ব্যবস্থার ওপরও পড়ে।

গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ। এতে বেইজিংয়ের নির্ধারিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা...
১১ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
১১ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে—সমালোচিত ও বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত আবুল খায়ের হিরুর এমন বার্তার পরই দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ গুণ।
১১ ঘণ্টা আগে