
বর্তমানে দেশে মোবাইল কোম্পানির সংখ্যা চারটি। কোম্পানিগুলো হলো টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের জন্য অনুমোদন লাভ করেছে। তবে অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লিগ্যাল ডিউ ডিলিজেন্স ও বিনিয়োগের শর্ত নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্বস্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের স্থবির বিনিয়োগ পরিস্থিতি কাটাতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের হয়রানি বন্ধ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং ব্যাংক ও জ্বালানি...

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইনান্সিং স্কিমের আওতায় পুনঃঅর্থায়নের জন্য ডাচ্-বাংলা ব্যাংক একটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই স্কিমের আওতায় যোগ্য উদ্যোক্তারা বার্ষিক ৭ শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।