নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
আইএমইডির হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপির মূল আকার ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ব্যয় হয়েছে ৪১ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের মাত্র ১৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এই সময়ে খরচের পরিমাণ ছিল ৫০ হাজার ২ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে ছিল ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৬১ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা বা ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৬০ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা বা ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে খরচ হয়েছিল ৬১ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা বা ২৪ দশমিক ০৬ শতাংশ। এর আগে, ২০১৬-১৭ সালে ৩৩ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা।
প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায়, শুধু ডিসেম্বর মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ডিসেম্বরে বাস্তবায়নের হার ছিল ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
অর্থবছরের ৬ মাসে সরকারি বরাদ্দ থেকে খরচ হয়েছে ২৩ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা। বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ খাত থেকে ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। এডিপিতে এ খাতে মোট বরাদ্দ রয়েছে ৮৬ হাজার কোটি এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬ মাসে সবচেয়ে বেশি এডিপি বাস্তবায়ন করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়, তাদের বাস্তবায়ন হার ১৪৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। সবচেয়ে কম বাস্তবায়নের রেকর্ড গড়েছে সংসদবিষয়ক সচিবালয়। তারা ১ শতাংশও খরচ করতে পারেনি। এ ছাড়া আইএমইডি বাস্তবায়ন করেছে ৭৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বাস্তবায়ন হার ৫১ দশমিক ৪১ শতাংশ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন হার ৪৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ, স্থানীয় সরকার বিভাগের ৩০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণায়ের ৩১ দশমিক ১০ শতাংশ।
টাকার অঙ্কে প্রথম ৬ মাসে সবচেয়ে বেশি ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা খরচ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপর সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২১৬ কোটি টাকা খরচ করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ৪ হাজার ২১ কোটি টাকা খরচ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ৩ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা ব্যয় করেছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় খরচ করেছে ২ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খরচ করছে ১ হাজার ৪৩ কোটি টাকা। মাত্র ১১২ কোটি টাকা খরচ করেছে স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ আর ৪৫৬ কোটি টাকা খরচ করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।
এডিপি বাস্তবায়নের বেহাল দশা নিয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, গত অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল সবচেয়ে কম। চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এডিপি বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাস্তবায়নের হার বাড়ানোর জন্য বিশেষ নজরদারি চলছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
আইএমইডির হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপির মূল আকার ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ব্যয় হয়েছে ৪১ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের মাত্র ১৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এই সময়ে খরচের পরিমাণ ছিল ৫০ হাজার ২ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে ছিল ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৬১ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা বা ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৬০ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা বা ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে খরচ হয়েছিল ৬১ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা বা ২৪ দশমিক ০৬ শতাংশ। এর আগে, ২০১৬-১৭ সালে ৩৩ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা।
প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায়, শুধু ডিসেম্বর মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ডিসেম্বরে বাস্তবায়নের হার ছিল ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
অর্থবছরের ৬ মাসে সরকারি বরাদ্দ থেকে খরচ হয়েছে ২৩ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা। বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ খাত থেকে ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। এডিপিতে এ খাতে মোট বরাদ্দ রয়েছে ৮৬ হাজার কোটি এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬ মাসে সবচেয়ে বেশি এডিপি বাস্তবায়ন করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়, তাদের বাস্তবায়ন হার ১৪৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। সবচেয়ে কম বাস্তবায়নের রেকর্ড গড়েছে সংসদবিষয়ক সচিবালয়। তারা ১ শতাংশও খরচ করতে পারেনি। এ ছাড়া আইএমইডি বাস্তবায়ন করেছে ৭৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বাস্তবায়ন হার ৫১ দশমিক ৪১ শতাংশ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন হার ৪৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ, স্থানীয় সরকার বিভাগের ৩০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণায়ের ৩১ দশমিক ১০ শতাংশ।
টাকার অঙ্কে প্রথম ৬ মাসে সবচেয়ে বেশি ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা খরচ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপর সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২১৬ কোটি টাকা খরচ করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ৪ হাজার ২১ কোটি টাকা খরচ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ৩ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা ব্যয় করেছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় খরচ করেছে ২ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খরচ করছে ১ হাজার ৪৩ কোটি টাকা। মাত্র ১১২ কোটি টাকা খরচ করেছে স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ আর ৪৫৬ কোটি টাকা খরচ করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।
এডিপি বাস্তবায়নের বেহাল দশা নিয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, গত অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল সবচেয়ে কম। চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এডিপি বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাস্তবায়নের হার বাড়ানোর জন্য বিশেষ নজরদারি চলছে।

গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ। এতে বেইজিংয়ের নির্ধারিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা...
১১ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে—সমালোচিত ও বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত আবুল খায়ের হিরুর এমন বার্তার পরই দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ গুণ।
১১ ঘণ্টা আগে
বন্ড সুবিধার আড়ালে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি ও রপ্তানি জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে কাস্টমসের এক তদন্তে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১৭৯ টন কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ উৎপাদনে ব্যবহার না করে ইসলামপুরসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন বাজারে
১১ ঘণ্টা আগে