Ajker Patrika

খুলনায় দোকানে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি-সংঘর্ষ, আহত ৪

খুলনা প্রতিনিধি
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

খুলনার বাগমারা এলাকায় একটি দোকানে চুরির ঘটনায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় দুর্বৃত্তরা একজনকে গুলি ও অপর তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর বাগমারা ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়েছেন।

আহত ব্যক্তিরা হলেন বাগমারা ব্রিজসংলগ্ন মো. খলিল শেখের ছেলে আ. আজিজ (৪৫), একই এলাকার ইয়াকুব আলী শেখের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম (৪২), তাঁর ছোট ভাই শহিদুল ইসলাম (৩৭) এবং মো. নজরুল ইসলাম (৩৫)। দুর্বৃত্তের ছোড়া একটি গুলি আব্দুল আজিজের বুকের ডান পাশে বিদ্ধ হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজন শঙ্কামুক্ত হওয়ায় তাঁদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গতকাল শনিবার রাতে বাগমারা এলাকার মুদিদোকান শিরীনা স্টোরে চুরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা রাতে ওই চুরির ঘটনায় দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে চুরি হওয়া মালামাল তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। রাতে ওই দুজনকে থানায় হস্তান্তর এবং পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, রাতের ওই চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ রোববার দুপুরে স্থানীয় এক সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে সেখানে গোলাগুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কয়েকজনকে জখম করা হয়। আজিজ, সিরাজুল, শহিদুল ও নজরুল গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানোয়ার হুসাইন মাসুম আজকের পত্রিকাকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে আমারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা অব্যাহত আছে। এ ঘটনায় চারজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাদের মধ্যে আজিজের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

ওসি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে এখনো পুলিশি মোতায়েন রাখা হয়েছে। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে। তা ছাড়া এমন হামলা যাঁরা চালিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত