
সুন্দরবনে অপহরণের ১১ দিন পরেও খোঁজ মেলেনি ২০ জেলের। মহাজনেরা জানান, দস্যুরা জেলেপ্রতি সাড়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। সেই টাকা না দিলে জেলেদের ভাগ্যে করুণ পরিণতি ঘটবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবনে অপহরণের দুই দিন পরও ২০ জেলের সন্ধান না পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক বেড়ে গেছে। এই অবস্থায় দুবলারচরের ১০ সহস্রাধিক শুঁটকিকরণ জেলে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রেখে চরে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ দিকে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বন বিভাগ রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কায় রয়েছে।

গতকাল রাতে পাঁচটি নৌকা একসঙ্গে মাছ শিকার শেষে ফিরছিল। হঠাৎ একটি স্পিডবোটের ইঞ্জিনের শব্দ শোনা যায়। পরে আরাকান আর্মির সদস্যরা একটি নৌকাসহ পাঁচ জেলেকে ধরে মিয়ানমারের দিকে নিয়ে যায়। অন্য নৌকাগুলো দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসে।

ভারতীয় জেলেদের কারামুক্তির সময় খুলনার ভারতীয় হাইকমিশনারের ডেপুটি হাইকমিশনার চন্দ্রজিন মুখার্জি, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. হাফিজ আল আসাদ, কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের কমান্ডার মো. সেলিম, বাগেরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (ফকিরহাট) মো. রাশেদুল ইসলাম রানা উপস্থিত ছিলেন।