
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জাতীয় সংগীতের সময় বিরোধীদলীয় সদস্যদের একটি অংশ দাঁড়িয়ে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটি বলেছে, জাতীয় সংগীতকে ঘিরে জনপ্রতিনিধিদের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ গোটা জাতির স্বাধীনতার চেতনা ও মর্যাদাবোধের ওপর আঘাত হেনেছে

তেঁতুলিয়ায় চারটি ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। জাতীয় সংগীত সঠিকভাবে লিখতে না পারায় ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিয়োগ-সংশ্লিষ্টরা।

ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত নিয়ে বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ‘বন্দে মাতরম’ শিরোনামে এই সংগীত রচনার ১৫০ বছর পূর্তি ছিল। এই উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুরো কবিতাটি পাঠ করেন এবং অভিযোগ করেন, বর্তমান বিরোধী দল কংগ্রেস কবিতাটিকে অতীতে ‘ছিন্নভিন্ন’ করে

নাছির বলেন, ‘আমরা এমন চিত্র গাজীপুরে দেখেছি, চকবাজার দেখেছি, চট্টগ্রামে দেখেছি যারা আগে ছাত্রলীগ করত এখন তারা শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা দেখেছি ছাত্রলীগের দুর্ধর্ষ ক্যাডার গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সোহরাওয়ার্দী হল শাখা শিবিরের সভাপতি।’