
আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৮তম এই সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে ইরানের জাতীয় সংগীত চলাকালীন দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন আফগানিস্তানের তালেবান কূটনীতিক।
আজ শুক্রবার এই বিষয়ে ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, জাতীয় সংগীত চলার সময় না দাঁড়ানোর জন্য ইরান কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানালে তা প্রত্যাখ্যান করেন তালেবান কূটনীতিক আজিজোররহমান মনসুর। তাঁর না দাঁড়ানোর বিষয়টি নিয়ে শুরুতে গুঞ্জন উঠলেও, পরে তিনি নিজেই এক্সে পোস্ট করা জাতীয় সংগীত চলাকালীন একটি ভিডিওতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। ওই সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানও উপস্থিত ছিলেন।
ভিডিওটি পোস্ট করে মনসুর বলেছেন, ‘আমাদের জন্মভূমিতে গানটি বাজলে আমরা বসে থাকি এবং আমি রীতিটিই অনুসরণ করেছি।’
আফগানিস্তানের জন্য ইরানের বিশেষ প্রতিনিধি হাসান কাজেমি কওমি তালেবান কর্মকর্তা মনসুরের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। বিষয়টিকে তিনি ‘কূটনৈতিক নীতির অসম্মান’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘সংগীতের ওপর শরিয়াভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার অজুহাতে কূটনৈতিক নীতিকে অসম্মান করার কোনো ভিত্তি বা বৈধতা নেই।’
আফগানিস্তানের তালেবান সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা মনসুর আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলনে তালেবান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
এর আগে পাকিস্তানের পেশোয়ারেও এই ধরনের আরেকটি কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন তালেবান কূটনীতিকেরা। সেখানে একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তালেবান কূটনীতিকেরা পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত চলার সময় বসে ছিলেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরে এই কাজের তীব্র নিন্দা জানায়। এই ঘটনার জের ধরে পরে ইসলামাবাদে নিযুক্ত তালেবান রাষ্ট্রদূতকে তলব করে সতর্ক করেছিল পাকিস্তান সরকার।
সর্বশেষ ইরানেও জাতীয় সংগীতকে অবমাননার ঘটনায় দেশটির রাজনীতিবিদেরা তীক্ষ্ণ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামির জ্যেষ্ঠ সহকারী মোহাম্মদ আলী আবতাহি বলেছেন, ‘পাকিস্তান ও ইরানের জাতীয় সংগীতের প্রতি তালেবানদের অসম্মান এবং দাঁড়াতে অস্বীকার করার মতাদর্শগত শিকড় রয়েছে।’
এক্সের পোস্টে আবতাহি আরও বলেন, ‘যখন আমরা বলি, তালেবানের মতাদর্শ তাঁদের কাছে থাকা হাজারো অস্ত্রের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক, তখন আমরা এই বিষয়টির কথাই বলি।’
আবতাহি তালেবানদের কঠোর মানসিকতারও বর্ণনা দিয়েছেন। এই গোষ্ঠী সংগীতকে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ বলে মনে করে। সংগীত তাঁদের কাছে এমন একটি বিষয় যা মানুষের ধর্ম এবং জীবনকে ধ্বংস করে ফেলে।
আন্তর্জাতিক ইসলামি সম্মেলনে তালেবান প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়াও ঠিক হয়নি বলে মনে করেন আবতাহি।

আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৮তম এই সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে ইরানের জাতীয় সংগীত চলাকালীন দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন আফগানিস্তানের তালেবান কূটনীতিক।
আজ শুক্রবার এই বিষয়ে ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, জাতীয় সংগীত চলার সময় না দাঁড়ানোর জন্য ইরান কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানালে তা প্রত্যাখ্যান করেন তালেবান কূটনীতিক আজিজোররহমান মনসুর। তাঁর না দাঁড়ানোর বিষয়টি নিয়ে শুরুতে গুঞ্জন উঠলেও, পরে তিনি নিজেই এক্সে পোস্ট করা জাতীয় সংগীত চলাকালীন একটি ভিডিওতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। ওই সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানও উপস্থিত ছিলেন।
ভিডিওটি পোস্ট করে মনসুর বলেছেন, ‘আমাদের জন্মভূমিতে গানটি বাজলে আমরা বসে থাকি এবং আমি রীতিটিই অনুসরণ করেছি।’
আফগানিস্তানের জন্য ইরানের বিশেষ প্রতিনিধি হাসান কাজেমি কওমি তালেবান কর্মকর্তা মনসুরের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। বিষয়টিকে তিনি ‘কূটনৈতিক নীতির অসম্মান’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘সংগীতের ওপর শরিয়াভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার অজুহাতে কূটনৈতিক নীতিকে অসম্মান করার কোনো ভিত্তি বা বৈধতা নেই।’
আফগানিস্তানের তালেবান সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা মনসুর আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলনে তালেবান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
এর আগে পাকিস্তানের পেশোয়ারেও এই ধরনের আরেকটি কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন তালেবান কূটনীতিকেরা। সেখানে একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তালেবান কূটনীতিকেরা পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত চলার সময় বসে ছিলেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরে এই কাজের তীব্র নিন্দা জানায়। এই ঘটনার জের ধরে পরে ইসলামাবাদে নিযুক্ত তালেবান রাষ্ট্রদূতকে তলব করে সতর্ক করেছিল পাকিস্তান সরকার।
সর্বশেষ ইরানেও জাতীয় সংগীতকে অবমাননার ঘটনায় দেশটির রাজনীতিবিদেরা তীক্ষ্ণ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামির জ্যেষ্ঠ সহকারী মোহাম্মদ আলী আবতাহি বলেছেন, ‘পাকিস্তান ও ইরানের জাতীয় সংগীতের প্রতি তালেবানদের অসম্মান এবং দাঁড়াতে অস্বীকার করার মতাদর্শগত শিকড় রয়েছে।’
এক্সের পোস্টে আবতাহি আরও বলেন, ‘যখন আমরা বলি, তালেবানের মতাদর্শ তাঁদের কাছে থাকা হাজারো অস্ত্রের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক, তখন আমরা এই বিষয়টির কথাই বলি।’
আবতাহি তালেবানদের কঠোর মানসিকতারও বর্ণনা দিয়েছেন। এই গোষ্ঠী সংগীতকে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ বলে মনে করে। সংগীত তাঁদের কাছে এমন একটি বিষয় যা মানুষের ধর্ম এবং জীবনকে ধ্বংস করে ফেলে।
আন্তর্জাতিক ইসলামি সম্মেলনে তালেবান প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়াও ঠিক হয়নি বলে মনে করেন আবতাহি।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে