
বগুড়ায় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর উদ্যোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে দুষ্কৃতকারীদের বাধা প্রদান ও আক্রমণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। পাশাপাশি দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে।
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যর আহ্বায়ক মফিজুর রহমান লালটু ও সাংস্কৃতিক ঐক্যভুক্ত সংগঠনের শীর্ষ নেতারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ইত্যাদি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা ও চেতনার ধারক। এসব বিষয়ে অশ্রদ্ধা ও অবমাননা দণ্ডনীয় অপরাধ এবং তা কেবল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ ও চেতনাবিরোধী শক্তিই করতে পারে।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, বাংলাদেশবিরোধী এই প্রতিক্রিয়াশীল ও সাম্প্রদায়িক শক্তি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ও গণহত্যাকারী পাকিস্তানি দখলদার ঘাতক বাহিনীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে রাজাকার, আলবদর বাহিনী গঠন করে বর্বর গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল। একাত্তরে পরাজিত হলেও তারা আজও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মানতে পারেনি। সে কারণেই জাতীয় সংগীত নিয়ে তাদের আপত্তি, তার ওপর আক্রমণ। সম্প্রতি এই ধর্মীয় ফ্যাসিস্ট শক্তি নারীর প্রতি বিদ্বেষ, সহিংসতা ও প্রকাশ্যে অবমাননা করছে। তারা পশ্চাৎপদ অন্ধকারের শক্তি, যারা দেশকে সামনের দিকে নয়, বরং পেছনের দিকেই নিতে পারে।
বিবৃতিতে নেতারা বগুড়ায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনে বাধা দেওয়া ও আক্রমণকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। দেশপ্রেমিক, মুক্তচিন্তা ও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সব নাগরিককে সম্মিলিতভাবে এই প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তাঁরা।

একসময় বলা হতো, বাঙালি কোনো যুবক কবিতা লেখেননি এমন হতে পারে না। তাঁদের মধ্যে সবাই না হোক, কেউ কেউ তো কবি হয়ে ওঠেন। আর বিক্রি যা-ই থাক, একসময় কবিতার বই বের হতো দেদার। এবার সংখ্যায় প্রকাশের শীর্ষে আছে কাব্যগ্রন্থই।
৪৪ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করায় বিশ্বে তেল-গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের টান পড়েছে। এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় মজুত থাকলেও বাংলাদেশের ওপর সংকটের প্রভাব পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংকট থেকে রেহাই পেতে বাংলাদেশের জন্য দুটি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা হলে তদবির নিয়ে থানায় না যাওয়ার ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি বলেন, ‘মাদকের ব্যাপারে কাউকে থানায় নিয়ে গেলে সে যত বড় ব্যক্তির সন্তানই হোক না কেন, কেউ যেন থানায় সুপারিশ না করেন। কোনো সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে না
৬ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে আরেকটি হত্যা মামলায় নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। এ কারণে পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট জামিন দেওয়ার পরও তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। নতুন এ গ্রেপ্তার আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ৩০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত...
৮ ঘণ্টা আগে