
ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, ডালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে দেশে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এবারের রমজানে এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নেই। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপে চাঁদাবাজি রোধ করতে কর্তৃপক্ষকে কঠোর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।

ব্যাপক আমদানিতে সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট নেই। তারপরও রোজার এক মাস আগেই বাড়ছে ছোলার দাম। রোজায় পণ্যটির বাড়তি চাহিদাকে কেন্দ্র করে আগেই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। ছোলার সঙ্গে চিনির দামও বেড়েছে। গত মাসেই বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম।

বাজারের অন্যতম জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য চিনির কেজি তিন বছর পর ১০০ টাকার নিচে নামল। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, আমদানির শর্ত শিথিল হওয়া ও বিশ্ববাজারে দাম কমা এর কারণ। চলতি প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দাম আরেকটু কমতে পারে।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় লাল চিনিতে ভেজাল মেশানোয় ২ হাজার কেজি চিনি জব্দ এবং আ. সালাম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।