চিনি খাওয়া কমানো কিংবা সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে দেওয়া শরীরের জন্য উপকারী। তবে চিনি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার জানা উচিত, এটি শরীর ও মনের ওপর কেমন প্রভাব ফেলতে পারে।
মনের পরিবর্তন
চিনি খাওয়া বন্ধ করলে শরীরে ডোপামিন ও সেরোটোনিন হরমোনের মাত্রা কমে যেতে পারে। এতে হঠাৎ বিরক্তি বা হতাশা চলে আসতে পারে। এ দুই হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখতে পারে নিয়মিত শরীরচর্চা ও ধ্যান। এ ছাড়া নিয়মিত বাদাম, বীজজাতীয় খাবার, ডিম ও দুগ্ধজাত খাবার খেলে সেরোটোনিন ও ডোপামিনের মাত্রা বাড়বে।
ঘুমের সমস্যা
চিনি ছাড়লে শরীরের কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রায় প্রভাব পড়ে। ফলে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে মোবাইল ফোন, টিভি ইত্যাদির স্ক্রিন এড়িয়ে চলা উচিত।
হজমের সমস্যা
চিনি ছাড়ার ফলে হজমে সাময়িক সমস্যা হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত অন্ত্রে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে ভালো ব্যাকটেরিয়ায় রূপান্তরের সময় ঘটে। তাই নিয়মিত দই বা ফারমেন্টেড খাবার খাওয়া জরুরি।
ক্লান্তি বা অবসাদ
হঠাৎ চিনি ছেড়ে দিলে আপনি শক্তির ঘাটতি অনুভব করতে পারেন। কারণ, চিনি তাৎক্ষণিক শরীরে শক্তি জোগায়। তাই প্রোটিন, ভালো চর্বি ও আঁশযুক্ত সুষম খাবার খেতে হবে।
ওজনের পরিবর্তন
অতিরিক্ত চিনি খাওয়া ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তাই চিনি ছাড়ার পর ওজন কমে যেতে পারে।
সূত্র: হেলথশট

রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। তবে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন হওয়ার কারণে এই সময়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিংবা ইমিউন সিস্টেম কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে। একজন চিকিৎসক ও অণুজীববিজ্ঞানী হিসেবে মনে করি, সঠিক বৈজ্ঞানিক সচেতনতা থাকলে রোজার মাধ্যমেও শরীর রোগমুক্ত, দূষণমুক্ত...
২ দিন আগে
রমজান মাস আমাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সময় হলেও এই সময়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের, বিশেষত চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত পানাহার এবং ঘুমের অভাব আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রমজানে চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
২ দিন আগে
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম। এটি হতে পারে অটো এমিনোর কারণে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থিতে কোনো সংক্রমণ বা আয়োডিনের ঘাটতি অথবা থাইরয়েডের কোনো অপারেশন বা থাইরয়েড গ্রন্থিতে রেডিও আয়োডিন থেরাপি দেওয়ার পর।
২ দিন আগে
রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার সময় ও ধরন বদলে যায়। আরও বদলে যায় ঘুমের সময়। এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় শরীরকে। এ জন্য নতুন করে অনেক অভ্যাস তৈরি করতে হয়।
২ দিন আগে