ঢাকা: এবারের ফ্রেঞ্চ ওপেনে যেন অদ্ভুতুড়ে ঘটনা ঘটছে। সাংবাদিক বয়কটের ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছিলেন জাপানি নারী টেনিস তারকা নাওমি ওসাকা। চোটে পড়ে সরে গেছেন চেক নারী তারকা পেতরা কোভিতোভা। এবার ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন রজার ফেদেরার।
কাল ফেদেরার ফ্রেঞ্চ ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হয়েছিলেন ডোমিনিক কুফারের। সাড়ে তিন ঘণ্টার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কুফারকে (৭-৬,৬-৭, ৭-৬,৭-৫ গেমে) হারিয়ে চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছে গেছেন এই সুইস তারকা। কিন্তু কাল ম্যাচশেষে হাঁটুর চোটের কথা জানিয়েছেন ফেদেরার। ফ্রেঞ্চ ওপেনের বাকি ম্যাচগুলো তাই না খেলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে ২০ বারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ীর। কাল ম্যাচ শেষে এক টুইটে ফেদেরার লিখেছেন, ‘হাঁটুর চোট নিয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর। খেলব কি খেলব না সেই সিদ্ধান্ত আমাকেই নিতে হবে। এই সময়য়ে বিশ্রামে যাওয়াটাই উপযুক্ত সিদ্ধান্ত বলে মনে হচ্ছে।’
২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে ফেদেরারকে চতুর্থ রাউন্ডে মুখোমুখি হতে হবে মাত্তেও বেরেত্তিনির। তবে এই মুহূর্তে সেটা অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। এর আগে গত বছর দুইবার হাঁটুর অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল এই সুইস তারকাকে। ২৮ জুন শুরু হচ্ছে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপ। যেটা হতে পারে ফেদেরারের শেষ উইম্বলডন। উইম্বলডন সামনে রেখে এবারের ফ্রেঞ্চ ওপেনে হয়তো আর নাও দেখা যেতে পারে ফেদেরারকে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
৭ ঘণ্টা আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
১০ ঘণ্টা আগে