
ইরানে চলমান সামরিক অভিযান থেকে যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই সরে আসবে বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তবে তার আগে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে কিছুদিন অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আজ ডানপন্থী পডকাস্টার বেনি জনসনের এক পডকাস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে ভান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তাদের অধিকাংশ সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও কিছু সময় অভিযান চালিয়ে যেতে চান, যাতে ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট আরও কিছুদিন অভিযান চালিয়ে যাবেন, যাতে আমরা চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময়ের জন্য আবার এ কাজ করতে না হয়। ইরানের সরকারকে দীর্ঘ সময়ের জন্য অকার্যকর করে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’
তিনি স্বীকার করেন, এই সংঘাতের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। তবে তাঁর মতে, এটি সাময়িক এবং সংঘাত শেষ হলে দাম আবার কমে আসবে।
ভান্স বলেন, ‘এটি খুবই স্বল্পমেয়াদি একটি প্রতিক্রিয়া। মূলত এটি একটি স্বল্পমেয়াদি সংঘাতের ফল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এক বছর বা দুই বছর ইরানে থাকতে চাই না। আমরা প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে শিগগিরই সরে আসব এবং জ্বালানির দামও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে ইউক্রেন, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন জেলেনস্কি।
৩৪ মিনিট আগে
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান। স্যাটেলাইট ইমেজ বা উপগ্রহ চিত্রে এয়ার বেস থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ল্যান্ডস্যাট-৯ থেকে প্রাপ্ত ছবিতে দেখা গেছে, বিমান ঘাঁটির টারম্যাকের একটি অংশ থেকে আগুনের কালো ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে উপরে উঠছে।
১ ঘণ্টা আগে
যাত্রাপথে তাঁরা দিক হারিয়ে ফেলেন এবং দীর্ঘ ছয় দিন খাদ্য ও পানীয় ছাড়া সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চরম অবসাদে ২২ জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মরদেহ পাচারকারীদের নির্দেশে ভূমধ্যসাগরে ফেলে দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে গুদামটি ধ্বংস করা হয়েছে। ওই স্থানে ২১ জন ইউক্রেনীয় উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে ওই ইউক্রেনীয়দের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই বলে উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, ‘তারা নিহত হয়ে থাকতে পারেন।’
২ ঘণ্টা আগে