Ajker Patrika

স্কুল ও কলেজের জন্য র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
স্কুল ও কলেজের জন্য র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে স্কুল ও কলেজের জন্য একটি র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে স্কুল ও কলেজের জন্য একটি র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুণগত মান, পরিচালনা ব্যবস্থা, শিক্ষার পরিবেশ এবং ফলাফলের ভিত্তিতে সূচক নির্ধারণ করা হবে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে এই অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্বগুলোর একটি হলো তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

এর আগে দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের অনেক কাজ রয়েছে এবং সেসব কাজে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় নতুন নির্মিত ভবন কয়েক বছরের মধ্যেই জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। তাই নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের দক্ষতা, জনবল এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা যাচাই করে দায়িত্ব প্রদান করতে হবে।’

এর আগে দুপুর ১২টায় মন্ত্রী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের অভ্যন্তরে অপ্রয়োজনীয় দূরত্ব কমিয়ে একটি সহযোগিতামূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষা খাতে সেবার গতি ও মান বৃদ্ধি পায়।

মন্ত্রী শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিক্ষকদের যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ সময় অফিসে ঘোরাফেরা করতে না হয়। তাঁদের বেতন-ভাতা, পেনশন, ছুটি, বদলি, প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়সমূহ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

একই সঙ্গে বদলিতে তদবির বন্ধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনাও দেন তিনি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত