
দেশের শিক্ষা খাতে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে রেকর্ড বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান বা ‘লার্নিং আউটকাম’ এখনও আশানুরূপ পর্যায়ে পৌঁছেনি বলে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

চাঁদপুরের কচুয়ায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনীতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। অনুষ্ঠানে ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৯টি প্রকল্প উপস্থাপিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘মার্কেট ডিমান্ড অনুযায়ী তো কোর্স আমরা রেগুলারলি ইন্ট্রোডিউস করছি, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি এবং প্রতিটি লেভেলেই আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি। বাট বাংলাকে বাদ দিয়ে, ইতিহাসকে বাদ দিয়ে, এমন কথা কোথাও হয়নি।’

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভাইভা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।