আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিল্পীদের জন্য ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষের সুইস গভর্নমেন্ট এক্সিলেন্স স্কলারশিপ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সুইজারল্যান্ড। বিশ্বের ১৮৩টি দেশের যোগ্য প্রার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সুইস কনফেডারেশনের ফেডারেল কমিশন ফর স্কলারশিপস ফর ফরেন স্টুডেন্টস (এফসিএস/ ইএসকেএএস) পরিচালিত এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তির আবেদন শুরু হবে আগামী ২০ আগস্ট। গবেষণা, পিএইচডি এবং শিল্পকলাবিষয়ক উচ্চশিক্ষার জন্য এটি বিশ্বের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বৃত্তি হিসেবে পরিচিত।
২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে তিন ধরনের বৃত্তি দেওয়া হবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পিএইচডি স্কলারশিপ, গবেষণা ফেলোশিপ এবং আর্টস মাস্টার্স স্কলারশিপ। সাধারণত স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন প্রার্থীরা এসব বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
গবেষণা ফেলোশিপপ্রাপ্তরা সুইস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের তত্ত্বাবধানে গবেষণার সুযোগ পাবেন। পিএইচডি প্রার্থীরা দেশটির বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরাল প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন। আর শিল্পকলার শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল বিষয়ে মাস্টার্স পর্যায়ে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।
প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), জীবনবিজ্ঞান, বায়োটেকনোলজি, পরিবেশ ও জলবায়ুবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত, অর্থনীতি, ব্যবসায় প্রশাসন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সমাজবিজ্ঞান, স্থাপত্য, কৃষি, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক বিজ্ঞান, ভাষাতত্ত্ব, শিল্পকলা, নকশাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আবেদন করা যাবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা সুইজারল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কেন্দ্রে পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ পাবেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ইটিএইচ জুরিখ, ইপিএফএলসহ বিভিন্ন ফেডারেল গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষাগার।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসিক আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। তাঁরা খ্যাতনামা গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে কাজ করতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক পরিসরে একাডেমিক ও পেশাগত যোগাযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
দেশভেদে বিস্তারিত নির্দেশনা পরে প্রকাশ করা হলেও আগ্রহীদের এখন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। সাধারণত আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত সনদ ও নম্বরপত্র, জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), গবেষণা প্রস্তাব বা স্টাডি প্ল্যান, মোটিভেশন লেটার, সুপারিশপত্র, ভাষা দক্ষতার সনদ (প্রয়োজন হলে) এবং পাসপোর্টের কপি জমা দিতে হয়। গবেষণা ও পিএইচডি পর্যায়ের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সুইস কোনো অধ্যাপকের কাছ থেকে তত্ত্বাবধানের সম্মতিপত্র (সুপারভিশন কনফারমেশন) পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
বৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে। ২০২৬ সালের আগস্টে দেশভিত্তিক আবেদন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর ২০ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। বছরের শেষ পর্যন্ত নিজ নিজ দেশের সুইস দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
আবেদনপত্র ২০২৭ সালের শুরুর দিকে মূল্যায়ন করা হবে। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২০২৭ সালের মে মাস। নির্বাচিত শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সুইজারল্যান্ডে তাঁদের অধ্যয়ন বা গবেষণা কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তোমরা যারা এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছ, তোমাদের জন্য এখন এক বিশেষ সময়। পরীক্ষা শেষ, ফলের অপেক্ষা। সামনে কলেজে ভর্তি হওয়ার আগে হাতে আছে বেশ কিছুটা অবসর। এই সময়টাকে শুধু বিশ্রামের জন্য নয়, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রস্তুতির জন্যও কাজে লাগানো যায়।
১৪ ঘণ্টা আগে
তাদের উদ্ভাবিত ‘হাইব্রিড ইকো-স্ট্রাইড শু’ প্রকল্পটি জেলা পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
১ দিন আগে
ভুল চাহিদা দেওয়ার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ভুল পদে নিয়োগ পেয়ে প্রার্থীরা এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি শিক্ষা অঞ্চলের মোট ২ হাজার ৩৩৭টি কলেজ পর্যায়ের শূন্যপদের তথ্য যাচাই করা হয়।
১ দিন আগে
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নেতৃত্বে জাতীয় অধ্যাপক ‘নিয়োগ সুপারিশ’ কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চার সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং ঢাকা
১ দিন আগে