নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সিলেটে আগামীকাল শনিবার পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। প্রথমে একই স্থানে একই সময়ে দুই দল সমাবেশের ঘোষণা দিলেও পরে স্থান বদল করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বড় দুই রাজনৈতিক দলের এই মুখোমুখি অবস্থানে সিলেট নগরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গতকাল বুধবার রাতে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিএনপির সমাবেশস্থল নগরের রেজিস্টারি মাঠেই হবে আওয়ামী লীগের সমাবেশ। পরে বৃহস্পতিবার আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘অপর আরেকটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি থাকায়’ আওয়ামী লীগের সমাবেশ রেজিস্টারি মাঠের বদলে নগরের চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে সিলেট জেলা বিএনপির নেতারা জানান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপির ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত জানুয়ারিতেই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে সমাবেশের স্থান নির্বাচন শেষে বিষয়টি মহানগর পুলিশ কমিশনারকে লিখিতভাবে অবহিতও করা হয়েছে। সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক তৎপর রয়েছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। নগর ও উপজেলাগুলোয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করছেন।
আজ শুক্রবার রাতে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শনিবার দুপুর ২টায় শুরু হতে যাওয়া বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ করেছি। এই সমাবেশে নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই যোগ দেবেন। আমাদের কর্মসূচি সব সময়ই শান্তিপূর্ণ।’
একই দিনে আওয়ামী লীগের সমাবেশ আহ্বান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার নানাভাবে বাধা দিয়ে বিএনপির পক্ষের গণজোয়ারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি। এখন তারা আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। তাই তারা আমাদের কর্মসূচির দিনে সমাবেশ ডেকেছে। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতির সাথে বেমানান।’
এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শনিবার বেলা ৩টায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা শান্তি সমাবেশ করব। বিএনপির কর্মসূচির বিষয়টি আমরা জানতাম না, তবে জানামাত্রই আমরা আমাদের সমাবেশের জায়গা পরিবর্তন করেছি। এটি কোনো পাল্টা কর্মসূচি নয়।’
জাকির হোসেন আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য, অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে এই শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’
একই দিনে সিলেট নগরে দুই দলের কর্মসূচিতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) সুদীপ দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নগরের প্রতিটি প্রবেশমুখ ও মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশও মাঠে থাকবে। আমরা সব পরিস্থিতিতে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।’
সিলেটে আগামীকাল শনিবার পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। প্রথমে একই স্থানে একই সময়ে দুই দল সমাবেশের ঘোষণা দিলেও পরে স্থান বদল করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বড় দুই রাজনৈতিক দলের এই মুখোমুখি অবস্থানে সিলেট নগরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গতকাল বুধবার রাতে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিএনপির সমাবেশস্থল নগরের রেজিস্টারি মাঠেই হবে আওয়ামী লীগের সমাবেশ। পরে বৃহস্পতিবার আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘অপর আরেকটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি থাকায়’ আওয়ামী লীগের সমাবেশ রেজিস্টারি মাঠের বদলে নগরের চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে সিলেট জেলা বিএনপির নেতারা জানান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপির ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত জানুয়ারিতেই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে সমাবেশের স্থান নির্বাচন শেষে বিষয়টি মহানগর পুলিশ কমিশনারকে লিখিতভাবে অবহিতও করা হয়েছে। সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক তৎপর রয়েছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। নগর ও উপজেলাগুলোয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করছেন।
আজ শুক্রবার রাতে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শনিবার দুপুর ২টায় শুরু হতে যাওয়া বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ করেছি। এই সমাবেশে নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই যোগ দেবেন। আমাদের কর্মসূচি সব সময়ই শান্তিপূর্ণ।’
একই দিনে আওয়ামী লীগের সমাবেশ আহ্বান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার নানাভাবে বাধা দিয়ে বিএনপির পক্ষের গণজোয়ারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি। এখন তারা আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। তাই তারা আমাদের কর্মসূচির দিনে সমাবেশ ডেকেছে। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতির সাথে বেমানান।’
এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শনিবার বেলা ৩টায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা শান্তি সমাবেশ করব। বিএনপির কর্মসূচির বিষয়টি আমরা জানতাম না, তবে জানামাত্রই আমরা আমাদের সমাবেশের জায়গা পরিবর্তন করেছি। এটি কোনো পাল্টা কর্মসূচি নয়।’
জাকির হোসেন আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য, অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে এই শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’
একই দিনে সিলেট নগরে দুই দলের কর্মসূচিতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) সুদীপ দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নগরের প্রতিটি প্রবেশমুখ ও মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশও মাঠে থাকবে। আমরা সব পরিস্থিতিতে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।’
পটুয়াখালীর চারটি আসনের মধ্যে বাউফল (পটুয়াখালী-২) আসনটি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনে ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ
২ ঘণ্টা আগেপঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর বাজারে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক শাখায় চুরির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনায় সহিদুল হক (২৮) নামে এক যুবককে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগেখুন, ছিনতাই, চুরি কিংবা ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথমেই ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে থাকে। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তের চেষ্টা চলে।
৩ ঘণ্টা আগেদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ছেই। মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির যান চলাচল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত সার্ভিস লেন না থাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। যেসব মহাসড়কে সার্ভিস লেন আছে, সেগুলোও কিছুদূর পরপর মহাসড়কে মিশেছে।
৫ ঘণ্টা আগে