কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
খুন, ছিনতাই, চুরি কিংবা ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথমেই ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে থাকে। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তের চেষ্টা চলে। শুধু অপরাধী শনাক্তই নয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও সিসি ক্যামেরার কার্যকারিতা রয়েছে। কিন্তু সিরাজগঞ্জ শহরে দীর্ঘদিন ধরে অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা ভাঙা বা অচল হয়ে আছে। এতে পুলিশ অপরাধী শনাক্তে সমস্যায় পড়ছে।
পুলিশ বলছে, অপরাধীরা অনেক সময় অপরাধ সংঘটনের আগে ক্যামেরা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে, যাতে দ্রুত শনাক্ত না হয়। ফলে পর্যাপ্ত ও কার্যকর সিসি ক্যামেরা না থাকায় শহরে অপরাধীরা অপরাধ করার সুযোগ নেয়।
এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলে তো আমাদের কাজ সহজ হয়। অপরাধীদের শনাক্ত করা সহজ হয়। কিন্তু সিসি ক্যামেরা না থাকায় আমাদের কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে। এ জন্য আগের চেয়ে অপরাধীরা অপরাধ করার সুযোগ বেশি পাচ্ছে।’
স্থানীয়রা বলছেন, বর্তমানে শহরের বেশির ভাগ সরকারি ক্যামেরা অকেজো। এদিকে ছোট-বড় চুরি, ছিনতাই, ইভ টিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিরাজগঞ্জ শহরের এসএস রোড, মুজিব সড়ক, কড়িতলা ও বাজার স্টেশন এলাকায় সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে শুধু ক্যামেরার কাভার ঝুলে আছে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের শেষের দিকে জেলা পুলিশের উদ্যোগে পৌরসভা ও চেম্বার অব কমার্সের সহযোগিতায় শহরের ৬৫টি পয়েন্টে ১০০টি ক্যামেরাসংবলিত একটি কন্ট্রোল অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টার চালু করা হয়।
মোহাম্মদ ইসরাফিল নামের এক বাসিন্দা বলেন, সিসি ক্যামেরা না থাকায় শহরে চুরি-ছিনতাই বেড়েছে। ক্যামেরা থাকলে পুলিশ অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পারত। এখন চুরি, ছিনতাই, ইভ টিজিং আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আল মাহমুদ বলেন, ‘পাশেই ব্যাংক রয়েছে। কেউ টাকা তুলে বের হলে ছিনতাইকারীরা সুযোগ নেয়। মাঝেমধ্যে মোটরসাইকেলও চুরি হয়। ’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) ফারুক হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলে আসামি শনাক্ত করতে সহজ হয়। সিসি ক্যামেরা দেখে পরবর্তী সময়ে অ্যাকশন নিতে পারি। জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার মাধ্যমে যাতে সিসি ক্যামেরা লাগানো যায়, সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি।’
খুন, ছিনতাই, চুরি কিংবা ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথমেই ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে থাকে। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তের চেষ্টা চলে। শুধু অপরাধী শনাক্তই নয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও সিসি ক্যামেরার কার্যকারিতা রয়েছে। কিন্তু সিরাজগঞ্জ শহরে দীর্ঘদিন ধরে অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা ভাঙা বা অচল হয়ে আছে। এতে পুলিশ অপরাধী শনাক্তে সমস্যায় পড়ছে।
পুলিশ বলছে, অপরাধীরা অনেক সময় অপরাধ সংঘটনের আগে ক্যামেরা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে, যাতে দ্রুত শনাক্ত না হয়। ফলে পর্যাপ্ত ও কার্যকর সিসি ক্যামেরা না থাকায় শহরে অপরাধীরা অপরাধ করার সুযোগ নেয়।
এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলে তো আমাদের কাজ সহজ হয়। অপরাধীদের শনাক্ত করা সহজ হয়। কিন্তু সিসি ক্যামেরা না থাকায় আমাদের কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে। এ জন্য আগের চেয়ে অপরাধীরা অপরাধ করার সুযোগ বেশি পাচ্ছে।’
স্থানীয়রা বলছেন, বর্তমানে শহরের বেশির ভাগ সরকারি ক্যামেরা অকেজো। এদিকে ছোট-বড় চুরি, ছিনতাই, ইভ টিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিরাজগঞ্জ শহরের এসএস রোড, মুজিব সড়ক, কড়িতলা ও বাজার স্টেশন এলাকায় সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে শুধু ক্যামেরার কাভার ঝুলে আছে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের শেষের দিকে জেলা পুলিশের উদ্যোগে পৌরসভা ও চেম্বার অব কমার্সের সহযোগিতায় শহরের ৬৫টি পয়েন্টে ১০০টি ক্যামেরাসংবলিত একটি কন্ট্রোল অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টার চালু করা হয়।
মোহাম্মদ ইসরাফিল নামের এক বাসিন্দা বলেন, সিসি ক্যামেরা না থাকায় শহরে চুরি-ছিনতাই বেড়েছে। ক্যামেরা থাকলে পুলিশ অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পারত। এখন চুরি, ছিনতাই, ইভ টিজিং আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আল মাহমুদ বলেন, ‘পাশেই ব্যাংক রয়েছে। কেউ টাকা তুলে বের হলে ছিনতাইকারীরা সুযোগ নেয়। মাঝেমধ্যে মোটরসাইকেলও চুরি হয়। ’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) ফারুক হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলে আসামি শনাক্ত করতে সহজ হয়। সিসি ক্যামেরা দেখে পরবর্তী সময়ে অ্যাকশন নিতে পারি। জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার মাধ্যমে যাতে সিসি ক্যামেরা লাগানো যায়, সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি।’
পটুয়াখালীর চারটি আসনের মধ্যে বাউফল (পটুয়াখালী-২) আসনটি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনে ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ
৫ ঘণ্টা আগেপঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর বাজারে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক শাখায় চুরির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনায় সহিদুল হক (২৮) নামে এক যুবককে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগেদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ছেই। মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির যান চলাচল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত সার্ভিস লেন না থাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। যেসব মহাসড়কে সার্ভিস লেন আছে, সেগুলোও কিছুদূর পরপর মহাসড়কে মিশেছে।
৭ ঘণ্টা আগেচট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একটি মামলায় ৯ জনের বিরুদ্ধে ৫৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ করা হয়েছে। অন্যটিতে ৯টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ১ হাজার ৭৭ কোটি ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে