দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ট্রলির নিচে চাপা পড়ে শাকিব হাসান (২০) নামের এক যুবক মারা গেছেন। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রাঙামাটি বোল্লাকালী মন্দির এলাকায় দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শাকিব ওই ট্রলির হেলপার (চালকের সহকারী) ছিলেন বলে জানা গেছে।
শাকিব হাসান পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের খাজেরডাঙা গ্রামের মো. গোফফার আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আলাদীপুর ইউনিয়নের রাঙামাটি বোল্লাকালী মন্দির এলাকায় নবাবগঞ্জগামী কাঠখড়িবোঝাই একটি পাওয়ার ট্রলি থেকে অসাবধানতাবশত সহযোগী আকস্মিকভাবে পড়ে যান। এ সময় তাঁর ওপর দিয়ে ওই ট্রলির চাকা উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল লতিফ শাহ জানান, পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় সড়ক ও পরিবহন আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে