রাজধানীর কদমতলীর শনির আখড়া এলাকায় ট্রাকচাপায় শাহ আলম (১২) নামে এক কিশোর মারা গেছে। ওই এলাকার মানিব্যাগ তৈরি একটি কারখানার শ্রমিক ছিল শাহ আলম।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় শাহ আলমকে হাসপাতালে তার সহকর্মীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে কারখানার মালিক জুবায়ের হোসেন জানান, শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে। এ সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর শাহ আলম মারা যায়।
তিনি আরও জানান, শাহ আলমের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বরাগ গ্রামে। শনির আখড়া এলাকায় থাকত। রাতে কাজ শেষে কারখানা থেকে বের হয়ে বাসায় যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, শাহ আলমের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে কদমতলী থানা-পুলিশ।

এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
১০ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
২৩ মিনিট আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার দুপুরে উপজেলার বীর রামপুর গফাকুড়ি মোড়ে ফুলকুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা ইউনুস আলী বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই একটি পিকআপে তুলে দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা গাড়িটি আটক করেন।
১ ঘণ্টা আগে