
পাবনায় ডাকাতি, হত্যাচেষ্টাসহ ১৫ মামলার পলাতক আসামি পলাশ হোসেন ওরফে সাগরকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে জেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার পলাশের বাড়ি জেলার বেড়া উপজেলার মৈত্রবাধা গ্রামে। তাঁকে গ্রেপ্তারের তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন র্যাব-১২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান।
মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনা র্যাবের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব কমান্ডার আরও জানান, গ্রেপ্তার পলাশ আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ৭ ডাকাতি, ২ অস্ত্র, ১ মাদক, ২ হত্যাচেষ্টাসহ মোট ১৫ মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার-পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বেড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে