Ajker Patrika

গাজীপুরে আজ আরও ৮৩৩ কারখানায় ছুটি, বিকেলে যানজটের শঙ্কা

গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরে আজ আরও ৮৩৩ কারখানায় ছুটি, বিকেলে যানজটের শঙ্কা
শিল্পাঞ্চল গাজীপুর থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনে আজ বৃহস্পতিবারও বাড়ি ফিরছে মানুষ। ছবি: আজকের পত্রিকা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহনের গতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে দুপুরের পর গাজীপুরের অবশিষ্ট ৮৩৩টি কারখানায় ছুটি হবে। এতে বিকেলে মহাসড়কে আবারও যাত্রীর চাপ ও যানজটের আশঙ্কা করছে যাত্রীরা।

গত সোমবার থেকেই গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের লাখ লাখ শ্রমিক পর্যায়ক্রমে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন। বুধবার বিকেলে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে রাতভর মহাসড়কে যানজট ও ভোগান্তি ছিল। বিশেষ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ী থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়। তবে আজ সকালে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে; বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কম এবং চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

শিল্প পুলিশ ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএভুক্ত ২ হাজার ৮৩৪টি কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৭৫৩টিতে ঈদের ছুটি দেওয়া হচ্ছে। বিগত তিন দিনে যানজট এড়াতে ধাপে ধাপে ৭৫ শতাংশ কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। বুধবার এক দিনেই রেকর্ড ১ হাজার ৪১৪টি; অর্থাৎ ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, বুধবার সবচেয়ে বেশি কারখানা ছুটি হয়েছিল। এ ছাড়া বিকেলে বৃষ্টির কারণে দুই মহাসড়কে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি, কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। রাতে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটে ঘরমুখী মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অনুকূল পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৮৩৩টি কারখানা দুপুরে ছুটি হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে বিকেলের পর আজ আবারও যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়বে এবং যানজটের ভোগান্তি হতে পারে।

বাড়ি ফেরা ব্যক্তিদের অভিযোগ, যারা আগে থেকে বাসের টিকিট সংগ্রহ করতে পারেননি, তাঁদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাসে জায়গা না পেয়ে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়ায় ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে চড়ে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।

কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) রাত থেকেই আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বিকেলের বাড়তি চাপ সামলাতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা হয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত