গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দুদু মিয়া (৬০) নামের এক নৈশপ্রহরীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গ্যারেজ থেকে পাঁচটি অটোরিকশা লুটের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লুট হওয়া একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। গত বুধবার রাতে গ্রেপ্তার এই ঘটনা ঘটে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজমিরুজ্জামান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার লালমাটি শ্যামপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম (৩৬) ও একই উপজেলার পলাশ গ্রামের মতিয়ার রহমান (৩৫), জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ধুরইল গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৪২) ও একই উপজেলার বড় নারায়নপুর গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলাম ওরফে বাবু (৪২)।
ওসি আজমিরুজ্জামান বলেন, গোপন খবরে গত বুধবার রাত ৮টার দিকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় লুট হওয়া একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। বাকি চারটি ইজিবাইক উদ্ধারসহ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অনুসন্ধান-অভিযান চলছে।
এর আগে গত শনিবার গভীর রাতে পলাশবাড়ী পৌর শহরের সুইগ্রামের নুরে আলম জিন্নু মিয়ার গ্যারেজে এই ঘটনা ঘটে। পরদিন রোববার সকালে পলাশবাড়ী পৌর শহরের সুইগ্রামের নুরে আলম জিন্নু মিয়ার গ্যারেজ থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়।
নিহত দুদু মিয়া (৬০) পলাশবাড়ী পৌর শহরের সুইগ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নুরে আলম জিন্নু মিয়ার গ্যারেজে নাইট গার্ডের দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জিন্নু মিয়ার গ্যারেজে রাতে অটোরিকশা রেখে চার্জ করতেন চালকেরা। প্রতিদিনের মতো রাতের বেলা গ্যারেজে দায়িত্ব পালন করছিলেন দুদু মিয়া। গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত গ্যারেজে ঢুকে দুদু মিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। গ্যারেজে থাকা ৫টি অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় তাঁরা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে