
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। তিনটি ইউনিটের মধ্যে আজ সোমবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়; যা থেকে প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
এর আগে ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রয়েছে। শুধু ১ নম্বর ইউনিটটি চালু রয়েছে। যা ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার হলেও উৎপাদিত হয় মাত্র ৬০-৬৫ মেগাওয়াট।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধাসহ আটটি জেলা।
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, আজ সকাল থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ৩ নম্বর ইউনিটটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এর পর থেকে বিশেষজ্ঞ দল ইউনিটটির মেরামতের জন্য দিনব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রাত সাড়ে ৮টার দিকে চালু করার চেষ্টা করলে পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ইউনিটটি মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। শুধু ১ নম্বর ইউনিটটি চালু রয়েছে। তবে এ সমস্যা সাময়িক।
ফুলবাড়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ (নেসকো) আবাসিক প্রকৌশলী দেলওয়ার হোসেন জানান, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ট্রিপ করার সঙ্গে সঙ্গে রংপুর বিভাগের সব গ্রিড ট্রিপ করে যায়। বর্তমানে ফুলবাড়ী দপ্তরের ৩৩ কেভি চালু রয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় লোড বরাদ্দ কম থাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। লোড বরাদ্দ স্বাভাবিক হলে এই দপ্তরের সব এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
নর্দান ইলেকট্রিসিটি (নেসকো) রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (অপারেশন) আশরাফুল আলম মণ্ডল জানান, জাতীয় গ্রিড ট্রিপ করার কারণে বিদ্যুতের সমস্যা হয়েছে। তাঁরা চেষ্টা করছেন। বিদ্যুতের কী পরিমাণ ঘাটতি—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা বলা কঠিন, তবে শুধু কোনোমতে কোথাও কোথাও লাইন চালু রাখা হয়েছে।

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৪ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে