
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নিজ এলাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ও ভাষাসৈনিক গোলাম আরিফ টিপুর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে উপজেলার রানীহাটি ঈদগাহ মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। জানাজায় জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান, পুলিশ সুপার ছাইদুল হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মীরা অংশ নেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে শুভাকাঙ্ক্ষীরা এসেছেন। অনেকেই স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
জানাজা শেষে গোলাম আরিফ টিপুর মরদেহ রাজশাহীতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে আরেকটি জানাজা শেষে ঢাকায় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁর দাফন করা হবে।
শিবগঞ্জের কমলাকান্তপুরে ১৯৩১ সালের ২৮ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন গোলাম আরিফ টিপু। তাঁর শৈশবের অনেকটা সময় কেটেছে এই এলাকাতেই।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে