
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় গত ১১ দিনে ৬১ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স। আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
৪ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যা পর্যন্ত টাস্কফোর্সের পৃথক অভিযানে এসব জেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার রুমা বলেন, ১১ দিনে অভয়াশ্রম এলাকার ৭০ কিলোমিটার এলাকায় ৩২টি মোবাইল কোর্ট ও ২১৩ অভিযান পরিচালিত হয়। পরিদর্শন করা হয় ১৫টি অবতরণ কেন্দ্র, ১৩৭টি মাছ ঘাট, ৭৩২টি আড়ত ও ৪০৩টি বাজার। জব্দ করা হয় ৪৯৫ কেজি ইলিশ ও ২ লাখ ৪২ হাজার মিটার জাল। জালের আনুমানিক মূল্য ৫৯ লাখ ২১ হাজার টাকা। আটক ৬১ জেলের বিরুদ্ধে ৪২টি পৃথক মামলা হয়েছে। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৩৪ হাজার টাকা।
চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, ‘জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত আছে। শেষ পর্যন্ত আমরা কঠোর অবস্থানে থাকব।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে