কলকাতা প্রতিনিধি
আন্তর্জাতিক সমীক্ষা সংস্থা ‘ইওয়াই ইকোনমিক ওয়াচ’ সম্প্রতি একটি পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের দাবি, মাত্র ১৩ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। এই পূর্বাভাস প্রকাশ হতেই নয়াদিল্লিতে উচ্ছ্বাসের ঢেউ উঠেছে। মোদি সরকার এটিকে নিজেদের অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে প্রচার করছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা কিন্তু অন্য সুরে কথা বলছেন। তাঁদের মতে, ভারতের এই উত্থান কাগজে–কলমে যতটা ঝলমলে, বাস্তবে ততটাই টালমাটাল।
ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতির গল্পে প্রথমেই চোখে পড়ে জনসংখ্যার সুবিধা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তরুণ জনগোষ্ঠী এখন ভারতে। এটিকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই বিপুল তরুণ শক্তিকে কি ভারত কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে পেরেছে? আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য বলছে, ভারতে বেকারত্বের হার গত কয়েক বছরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশ কাজ পাচ্ছে না। যাদের কাজ আছে, তাদের বেশির ভাগই অস্থায়ী বা নিম্ন আয়ের খাতে। ফলে জনসংখ্যা যেমন আশীর্বাদ, তেমনি সঠিক পরিকল্পনার অভাবে অভিশাপেও পরিণত হতে পারে।
শুধু কর্মসংস্থান নয়, অর্থনৈতিক বৈষম্যও ভারতের জন্য বড় সমস্যা। দেশটির শীর্ষ ধনী কয়েকজনের হাতে বিপুল সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়েছে। অক্সফামের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, ভারতের মোট সম্পদের প্রায় ৪০ শতাংশ মাত্র কয়েক শ’ জনের দখলে। অথচ গ্রামের সাধারণ মানুষ এখনো স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছেন। এই বৈষম্য যদি আরও বাড়ে, তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাগুজে সংখ্যা জনগণের জীবনে তেমন কোনো ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থানও ততটা স্থিতিশীল নয়। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি শুল্কনীতি কড়াকড়ি করেছে। এর ফলে ভারতীয় রপ্তানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। বিশেষ করে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি ও ওষুধশিল্প মার্কিন বাজারের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে শুল্কচাপ বাড়লে ভারতের প্রবৃদ্ধি যে কমে যাবে, তা সময়ের অপেক্ষামাত্র। এই বাস্তবতাই মোদি সরকারকে চীনের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করেছে।
কিন্তু চীন–ভারত সম্পর্ক ইতিহাস থেকেই সন্দেহ ও দ্বন্দ্বে ভরা। সীমান্তে সংঘর্ষ একাধিকবার হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আস্থা এখনো তৈরি হয়নি। তবু নয়াদিল্লি জানে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একমাত্র ভরসা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। তাই মোদি চীনের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এটিই ভারতের কূটনৈতিক দুর্বলতার প্রমাণ—যেখানে শত্রুতার সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও নয়াদিল্লিকে বেইজিংয়ের দিকে মৈত্রীর হাত বাড়াতে হচ্ছে।
রাশিয়ার ক্ষেত্রেও একই চিত্র। পশ্চিমাদের চাপ উপেক্ষা করে ভারত সস্তায় রাশিয়ার জ্বালানি তেল কিনছে। এতে আপাতত কিছুটা সুবিধা পেলেও দীর্ঘ মেয়াদে আন্তর্জাতিক চাপ কতটা সহনীয় হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ইতিমধ্যে বারবার সতর্ক করেছে। নয়াদিল্লি বলছে, তারা ‘জাতীয় স্বার্থে’ এই নীতি অব্যাহত রাখবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে যদি আন্তর্জাতিক বাজারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তবে ভারতের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি কতটা নিরাপদ থাকবে?
পাকিস্তানের প্রসঙ্গও এখানে উল্লেখযোগ্য। ইসলামাবাদ ক্রমেই বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে তারা মার্কিন সহায়তাও চাইছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মঞ্চে ভারতের প্রভাব আগের মতো একচেটিয়া নেই। চীন–পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতা ভারতের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা—এসব প্রতিবেশী দেশও এখন ভারতের ওপর শতভাগ নির্ভর না করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের নেতৃত্বমূলক অবস্থান আগের মতো অবিসংবাদী নেই, বরং প্রশ্নবিদ্ধ।
সব মিলিয়ে, ইওয়াই ইকোনমিক ওয়াচের রিপোর্টে যেমন ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানের ছবি আঁকা হয়েছে, বাস্তবে পরিস্থিতি অনেক জটিল। বেকারত্ব, বৈষম্য, ঋণের বোঝা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক চাপ—সব মিলে ভারতের পথ মোটেই মসৃণ নয়। বরং বলা যায়, ভারত এখন চার দিক থেকে চাপে আছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত হয়তো আগামী এক দশকে প্রবৃদ্ধির হারে এগোতে পারবে, কিন্তু সেটি কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি, চীনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে অনিশ্চিত সম্পর্ক—এসব একত্রে ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে নড়বড়ে করে তুলেছে।
নয়াদিল্লি যতই নিজেদের সাফল্যের কাহিনি শুনাক না কেন, দক্ষিণ এশিয়ার বাস্তবতায় ভারত এখনো টালমাটাল অবস্থাতেই দাঁড়িয়ে। আর এ কারণেই অনেকেই মনে করছেন—‘বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি’ হওয়ার স্বপ্ন যেমন ঝলমলে, তেমনি অনিশ্চয়তায় ভরা।
আন্তর্জাতিক সমীক্ষা সংস্থা ‘ইওয়াই ইকোনমিক ওয়াচ’ সম্প্রতি একটি পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের দাবি, মাত্র ১৩ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। এই পূর্বাভাস প্রকাশ হতেই নয়াদিল্লিতে উচ্ছ্বাসের ঢেউ উঠেছে। মোদি সরকার এটিকে নিজেদের অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে প্রচার করছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা কিন্তু অন্য সুরে কথা বলছেন। তাঁদের মতে, ভারতের এই উত্থান কাগজে–কলমে যতটা ঝলমলে, বাস্তবে ততটাই টালমাটাল।
ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতির গল্পে প্রথমেই চোখে পড়ে জনসংখ্যার সুবিধা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তরুণ জনগোষ্ঠী এখন ভারতে। এটিকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই বিপুল তরুণ শক্তিকে কি ভারত কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে পেরেছে? আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য বলছে, ভারতে বেকারত্বের হার গত কয়েক বছরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশ কাজ পাচ্ছে না। যাদের কাজ আছে, তাদের বেশির ভাগই অস্থায়ী বা নিম্ন আয়ের খাতে। ফলে জনসংখ্যা যেমন আশীর্বাদ, তেমনি সঠিক পরিকল্পনার অভাবে অভিশাপেও পরিণত হতে পারে।
শুধু কর্মসংস্থান নয়, অর্থনৈতিক বৈষম্যও ভারতের জন্য বড় সমস্যা। দেশটির শীর্ষ ধনী কয়েকজনের হাতে বিপুল সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়েছে। অক্সফামের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, ভারতের মোট সম্পদের প্রায় ৪০ শতাংশ মাত্র কয়েক শ’ জনের দখলে। অথচ গ্রামের সাধারণ মানুষ এখনো স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছেন। এই বৈষম্য যদি আরও বাড়ে, তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাগুজে সংখ্যা জনগণের জীবনে তেমন কোনো ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থানও ততটা স্থিতিশীল নয়। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি শুল্কনীতি কড়াকড়ি করেছে। এর ফলে ভারতীয় রপ্তানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। বিশেষ করে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি ও ওষুধশিল্প মার্কিন বাজারের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে শুল্কচাপ বাড়লে ভারতের প্রবৃদ্ধি যে কমে যাবে, তা সময়ের অপেক্ষামাত্র। এই বাস্তবতাই মোদি সরকারকে চীনের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করেছে।
কিন্তু চীন–ভারত সম্পর্ক ইতিহাস থেকেই সন্দেহ ও দ্বন্দ্বে ভরা। সীমান্তে সংঘর্ষ একাধিকবার হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আস্থা এখনো তৈরি হয়নি। তবু নয়াদিল্লি জানে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একমাত্র ভরসা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। তাই মোদি চীনের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এটিই ভারতের কূটনৈতিক দুর্বলতার প্রমাণ—যেখানে শত্রুতার সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও নয়াদিল্লিকে বেইজিংয়ের দিকে মৈত্রীর হাত বাড়াতে হচ্ছে।
রাশিয়ার ক্ষেত্রেও একই চিত্র। পশ্চিমাদের চাপ উপেক্ষা করে ভারত সস্তায় রাশিয়ার জ্বালানি তেল কিনছে। এতে আপাতত কিছুটা সুবিধা পেলেও দীর্ঘ মেয়াদে আন্তর্জাতিক চাপ কতটা সহনীয় হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ইতিমধ্যে বারবার সতর্ক করেছে। নয়াদিল্লি বলছে, তারা ‘জাতীয় স্বার্থে’ এই নীতি অব্যাহত রাখবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে যদি আন্তর্জাতিক বাজারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তবে ভারতের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি কতটা নিরাপদ থাকবে?
পাকিস্তানের প্রসঙ্গও এখানে উল্লেখযোগ্য। ইসলামাবাদ ক্রমেই বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে তারা মার্কিন সহায়তাও চাইছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মঞ্চে ভারতের প্রভাব আগের মতো একচেটিয়া নেই। চীন–পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতা ভারতের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা—এসব প্রতিবেশী দেশও এখন ভারতের ওপর শতভাগ নির্ভর না করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের নেতৃত্বমূলক অবস্থান আগের মতো অবিসংবাদী নেই, বরং প্রশ্নবিদ্ধ।
সব মিলিয়ে, ইওয়াই ইকোনমিক ওয়াচের রিপোর্টে যেমন ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানের ছবি আঁকা হয়েছে, বাস্তবে পরিস্থিতি অনেক জটিল। বেকারত্ব, বৈষম্য, ঋণের বোঝা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক চাপ—সব মিলে ভারতের পথ মোটেই মসৃণ নয়। বরং বলা যায়, ভারত এখন চার দিক থেকে চাপে আছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত হয়তো আগামী এক দশকে প্রবৃদ্ধির হারে এগোতে পারবে, কিন্তু সেটি কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি, চীনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে অনিশ্চিত সম্পর্ক—এসব একত্রে ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে নড়বড়ে করে তুলেছে।
নয়াদিল্লি যতই নিজেদের সাফল্যের কাহিনি শুনাক না কেন, দক্ষিণ এশিয়ার বাস্তবতায় ভারত এখনো টালমাটাল অবস্থাতেই দাঁড়িয়ে। আর এ কারণেই অনেকেই মনে করছেন—‘বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি’ হওয়ার স্বপ্ন যেমন ঝলমলে, তেমনি অনিশ্চয়তায় ভরা।
আগামী ৩ সেপ্টেম্বর চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের কেন্দ্রস্থলে অনুষ্ঠিত হবে বড় ধরনের সামরিক কুচকাওয়াজ। এই অনুষ্ঠানে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের একসঙ্গে উপস্থিতি নিঃসন্দেহে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা দিতে যাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগেসাহারা মরুভূমির প্রান্তবর্তী ইউরেনিয়ামে সমৃদ্ধ দেশ নাইজারে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়তে চায় রাশিয়া। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এরইমধ্যে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তিও হয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা রোসাটম এবং নাইজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তি অনুযায়ী...
২ দিন আগেকিন্তু আরাকান আর্মি এখনো সেই অর্থে সিতওয়ে ও কায়াকফিউতে পূর্ণমাত্রার আক্রমণ চালায়নি। কিন্তু কেন? এর পেছনে রয়েছে তিনটি কৌশলগত কারণ—কায়াকফিউতে চীনের বড় বিনিয়োগ, সিতওয়েতে ভারতের বিনিয়োগ এবং স্থানীয় জনগণের কাছে রাজনৈতিক বৈধতা ও শাসন কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এএ–এর অগ্রাধিকার।
৪ দিন আগেআগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালের এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের আগেই নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামোতে নীরবে বড়সড় পরিবর্তন এনেছেন। আগের তুলনায় বিজেপির নির্বাচনী রণনীতি এবার অনেকটাই ভিন্ন।
৪ দিন আগে