
বৈঠকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা কার্গো ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের নানা সংকট তুলে ধরেন। তাঁদের অভিযোগ, কার্গো এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় জায়গা কম। আধুনিক গুদামসুবিধা, ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের জন্য পৃথক নিরাপদ জোন, পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা অবকাঠামো ও জরুরি প্রবেশপথের ঘাটতি রয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেশ কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। বিশেষ করে যে কনটেইনারে আগুন লাগে, সেখানে থাকা পণ্যগুলো রোববার (৭ জুন) নিলামে ওঠার কথা ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ইউনিট এবং বিমানবাহিনীর অগ্নিনির্বাপণ দলও আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে রাত ১টা ৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো শেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।