
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার খবরে তাঁর নামে স্লোগানে স্লোগানে সংবর্ধনাস্থল মুখর করে রেখেছেন লাখো নেতা–কর্মী।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন জীবন কাটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪৪ মিনিটে বিমান থেকে নামেন তারেক রহমান। এরপর ইমিগ্রেশন পার হয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে সকাল থেকেই জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। তারেক রহমান ঢাকার বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে মঞ্চ থেকে সেই ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর নেতা–কর্মীরা তারেক রহমানে নামে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে রেখেছেন পুরো পূর্বাঞ্চল এলাকা।
বেশির ভাগ নেতা–কর্মীদের হাতে তারেক রহমানে ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। মাথায় রঙিন ক্যাপ এবং টি-শার্ট পড়ে অনেকেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তারেক রহমান। এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তিনি।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১২ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
২০ ঘণ্টা আগে