
ভর্তুকি সমন্বয়, লোকসান কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম একলাফে ১৫ থেকে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে আজকের পত্রিকার প্রথম পাতায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

ভর্তুকি কমাতে বরাবরই চাপ দিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এরপরও আগামী অর্থবছরে ভর্তুকির পেছনে সরকারের ব্যয় আরও বাড়তে চলেছে। মূল্যস্ফীতির চাপ, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার এই সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষি—

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানির বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হতে পারে, যা বাজেট ও রিজার্ভ—দুটির ওপরই চাপ তৈরি করবে। এই ভর্তুকি একদিকে যেমন সরকারের বাজেট ঘাটতি বাড়ানোর দিকে যাবে, অন্যদিকে সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর...

জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার প্রতিদিন জ্বালানি তেলে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ ছাড়া আগামী এপ্রিল পর্যন্ত জনগণের জ্বালানি তেলের চাহিদা নিশ্চিত করতে সরকার সক্ষম হয়েছে বলে জানান তিনি।