
পৌষের শেষ প্রহরে শীতের নরম রোদ যখন গ্রামবাংলার উঠানে আলতো করে ছড়িয়ে পড়ে, তখনই প্রকৃতি জানান দেয় মাঘের আগমনের। ধোঁয়া ওঠা চুলা, খেজুর গুড়ের মিষ্টি সুবাস আর মানুষের প্রাণখোলা হাসিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। এমনই এক আবহে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় আয়োজন করা হয় চাষিদের পিঠা উৎসব—যেখানে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়

এই ভরা পৌষে ভাপা পিঠা হবে না! বাড়িতেই তৈরি করুন মিঠাই ভরা ভাপা পিঠা। নতুনদের জন্য এই পিঠার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।...

সাজেদা বেগম জানান, একসময় তাঁর সুখের সংসার ছিল। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ছেলেসন্তানের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় অশান্তি শুরু হয়। মেয়ে সোনাভানের জন্মের এক বছরের মধ্যেই স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর শিশুসন্তানকে নিয়ে তিনি চরম সংকটে পড়েন। অন্যের বাড়ি ও খেতখামারে কাজ করে মেয়েকে বড় করেছেন।

এখন সারা বছর পিঠা তৈরি হলেও একটা সময় হেমন্ত ঋতু আসার সঙ্গে সঙ্গে পিঠা ও পায়েসের সময় এসে যেত। শীত পিঠার প্রধান মৌসুম। তবে তার প্রস্তুতি শুরু হয় হেমন্তে। আমাদের স্থানীয় খাবারগুলোর মধ্যে পিঠা বেশ প্রাচীন খাবার। পিঠার বয়স কত, তা ঠিক করে বলা কঠিন। সিন্ধু সভ্যতার সময়ও পিঠাজাতীয় খাদ্য ছিল।