
আফগানিস্তানের ভেতরে ২২টি স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। এই হামলায় ২৭৪ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত ও ৪০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ। আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার সার্ভিসেস

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ভারতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ‘কৌশলগত সুবিধা’ পাওয়ার আশায় ইসলামাবাদের হাত ধরেই তালেবানের জন্ম হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময়ের সেই মৈত্রীতে এখন চরম ফাটল ধরেছে।

পাকিস্তান বিমান হামলার মাধ্যমে কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া অঞ্চলে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সংযম ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের প্রথম মেয়াদে পাকিস্তান খুবই ঘনিষ্ঠ ছিল। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদের সময় তালেবান সরকারের বন্ধুতে পরিণত হয়েছিল পাকিস্তান। অবশ্য শিকড় আরও গভীরে। ১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসন শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে তালেবানদের সহায়তা দিয়েছিল।