যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সম্প্রতি একটি ব্ল্যাক হোলের শব্দ প্রকাশ করেছে, যা মানুষের কানে শোনা যায়। নাসা যে ব্ল্যাক হোলের শব্দ প্রকাশ করেছে, তা পার্সিয়াস গ্যালাক্সি ক্লাস্টার থেকে ২০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিজেদের টুইটার অ্যাকাউন্টে ব্ল্যাক হোলের শব্দের অডিওটি প্রকাশ করেছে নাসা। সেখানে একটি ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে যে শব্দ কীভাবে শূন্যে ভ্রমণ করে।
টুইটারে নাসা লিখেছে, অনেকেই মনে করেন মহাকাশে শব্দ নেই। এমন ভুল ধারণার উৎপত্তি হচ্ছে মহাকাশের বেশির ভাগ স্থানই শূন্য। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, গ্যালাক্সি ক্লাস্টারে প্রচুর গ্যাস রয়েছে। এই গ্যাস থেকেই আমরা শব্দ ধারণ করেছি। তারপর আমরা শব্দটিকে শ্রবণযোগ্য করার জন্য পরিবর্ধিত (এমপ্লিফায়েড) করেছি।’
নাসার ধারণ করা অডিওতে গর্জন ও কান্নার মতো শব্দ শোনা গেছে। এই শব্দ প্রকৃতপক্ষে উত্তপ্ত গ্যাসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রবল চাপের তরঙ্গ। এ ধরনের ভয়ংকর ও রহস্যময় শব্দ সাধারণত সাইফাই চলচ্চিত্রে মহাকাশ ভ্রমণের সময় শোনানো হয়।
ম্যাশেবলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরির মাধ্যমে শব্দটি ধারণ করা হয়েছে। এ বছরের মে মাসে অডিও রেকর্ডটি প্রকাশিত হয়েছিল।

পুরুষদের চুল পড়া বা টাক পড়া (অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া) সমস্যার চিকিৎসায় ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি উদ্ভিদের শিকড় অত্যন্ত কার্যকর সমাধান হতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই আবিষ্কারটি প্রাচীন চিকিৎসাবিদ্যা ও আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।
৪ দিন আগে
সৌরজগৎকে সাধারণত মানব সভ্যতার অন্যতম স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য কাঠামো হিসেবে দেখা হয়। পৃথিবীতে যাই ঘটুক না কেন, গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট নিয়মে পরিক্রমা করে চলেছে এবং আকাশে একটি সুশৃঙ্খল বিন্যাস তৈরি করছে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সৌরজগতের অতীত হয়তো এতটা শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল না।
৮ দিন আগে
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) রুশ অংশে নতুন করে এয়ার (বাতাস) লিক বা ছিদ্র শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাঁচ মহাকাশচারীকে একটি মহাকাশযানে আশ্রয় নিতে নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা...
১০ দিন আগে
প্রায় ৫ হাজার ৩০০ বছর আগে মারা যাওয়া বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও সবচেয়ে ভালোভাবে সংরক্ষিত মানব মমি ওৎজি দ্য আইসম্যানের দেহে আজও কিছু অণুজীব সক্রিয় থাকতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের মতে, তাঁর শরীরে পাওয়া কিছু জীবাণু সম্ভবত মমিটির মতোই প্রাচীন। আবার কিছু জীবাণু বর্তমান সংরক্ষণাগারের
১২ দিন আগে