যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সম্প্রতি একটি ব্ল্যাক হোলের শব্দ প্রকাশ করেছে, যা মানুষের কানে শোনা যায়। নাসা যে ব্ল্যাক হোলের শব্দ প্রকাশ করেছে, তা পার্সিয়াস গ্যালাক্সি ক্লাস্টার থেকে ২০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিজেদের টুইটার অ্যাকাউন্টে ব্ল্যাক হোলের শব্দের অডিওটি প্রকাশ করেছে নাসা। সেখানে একটি ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে যে শব্দ কীভাবে শূন্যে ভ্রমণ করে।
টুইটারে নাসা লিখেছে, অনেকেই মনে করেন মহাকাশে শব্দ নেই। এমন ভুল ধারণার উৎপত্তি হচ্ছে মহাকাশের বেশির ভাগ স্থানই শূন্য। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, গ্যালাক্সি ক্লাস্টারে প্রচুর গ্যাস রয়েছে। এই গ্যাস থেকেই আমরা শব্দ ধারণ করেছি। তারপর আমরা শব্দটিকে শ্রবণযোগ্য করার জন্য পরিবর্ধিত (এমপ্লিফায়েড) করেছি।’
নাসার ধারণ করা অডিওতে গর্জন ও কান্নার মতো শব্দ শোনা গেছে। এই শব্দ প্রকৃতপক্ষে উত্তপ্ত গ্যাসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রবল চাপের তরঙ্গ। এ ধরনের ভয়ংকর ও রহস্যময় শব্দ সাধারণত সাইফাই চলচ্চিত্রে মহাকাশ ভ্রমণের সময় শোনানো হয়।
ম্যাশেবলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরির মাধ্যমে শব্দটি ধারণ করা হয়েছে। এ বছরের মে মাসে অডিও রেকর্ডটি প্রকাশিত হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি শেষ হতে আর দুদিন। এ মাসে মহাজাগতিক কিছু ঘটনা ঘটে গেছে। তবে সেসব ঘটনা যদি কেউ প্রত্যক্ষ না করে থাকেন, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। মহাকাশ, গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে যাদের আগ্রহ আছে, তাদের জন্য কিছু চমকপ্রদ মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ নিয়ে আসছে আগামী মার্চ মাস।
৪ দিন আগে
শুষ্ক বাতাস থেকেও পানি সংগ্রহ করতে সক্ষম—এমন নতুন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন নোবেলজয়ী রসায়নবিদ অধ্যাপক ওমর ইয়াগি। হারিকেন বা খরায় যখন পানি সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, তখন এই প্রযুক্তি ঝুঁকিপূর্ণ দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জন্য জীবনরক্ষাকারী হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৭ দিন আগে
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের নথিপত্র থেকে এবার সামনে এলো ডিএনএ-র গঠনের সহ-আবিষ্কারক নোবেলজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসনের নাম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে, এপস্টেইনের নিউইয়র্ক ম্যানশনে তিন তরুণীর সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় রয়েছেন এই বিজ্ঞ
১২ দিন আগে
বাংলাদেশে ভাইরাসবাহিত রহস্যজনক এক রোগের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুরুতে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব বলে মনে করা হলেও, এটি আসলে আরেকটি নতুন ও সম্ভাব্য প্রাণঘাতী বাদুড়বাহিত ভাইরাসের কারণে হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের....
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬