
থানায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সাধারণ ডায়েরি করতে দেওয়া হচ্ছে না—এই অভিযোগ নিয়ে সেনাবাহিনীর কাছে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ বুধবার সকালে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, ‘আমরা সারা দেশ থেকে খবর পেয়েছি, বেশির ভাগ থানায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করতে দেওয়া হয়নি। যেহেতু সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি দেওয়া হয়েছে, তাই এই অপরাধীদের থামাতে এখন সেনাবাহিনীর কাছেই অভিযোগ দেওয়ার বিকল্প নেই।’
এতে বলা হয়, ‘ক্ষতিগ্রস্ত সবাই পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে নিকটস্থ সেনাক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ, সন্ত্রাসীদের নাম উল্লেখ করে জমা দিন।’
ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে—সব অপরাধী, লুটেরা, সন্ত্রাসীদের তারা আইনের আওতায় আনবে।’
যৌথ বাহিনীর অভিযানের মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এতে আগামী ৬০ দিন সেনাবাহিনীর কাছে বিচারিক ক্ষমতা থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরই সেনাবাহিনীর দ্বারস্থ হতে দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিল আওয়ামী লীগ।
এর আগে ফেসবুকে পেজে এক পোস্টে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই সনদ বিবেচনায় রেখে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের মৌখিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশনায় ‘সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটি’ এবং ‘জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১৯ ঘণ্টা আগে