বৃষ্টি পৃথিবীর বিশুদ্ধ পানির অন্যতম একটি উৎস। আকাশ থেকে বর্ষিত বৃষ্টির পানি মৃত জমিন উর্বর করে। সুজলা সুফলা করে তোলে খেত-খামার। বিশুদ্ধ পানি শূন্য এলাকায় জনজীবনে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করে।
পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘তিনিই সেই সত্তা, যিনি তাঁর অনুগ্রহের পূর্বাভাসস্বরূপ বায়ু প্রেরণ করেন, এবং আমি আকাশ থেকে শুদ্ধকারী পানি বর্ষণ করি। এর মাধ্যমে আমি মৃতভূমিকে জীবিত করি এবং আমার সৃষ্টি করা বহু জীবজন্তু ও মানুষকে তা পান করাই। (সুরা ফুরকান: ৪৮-৪৯)
বর্ণিত আয়াত থেকে বোঝা যায়, আকাশ থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানি পবিত্র। কেননা, অপবিত্র পানি মানুষের জন্য পান করা বৈধ নয়। অতএব বর্ষাকালে বাড়ির ছাদে বা যাত্রাপথে বৃষ্টিতে শরীর পুরোপুরি ভিজে গেলে অজু হয়ে যাবে। কারণ গোসলের মাধ্যমে অজু হয়ে যায়।
অজুতে নিয়ত করা সুন্নত। তাই ভেজার সময় অজুর নিয়ত না থাকলেও অজু শুদ্ধ হয়ে যাবে। তবে লক্ষণীয় হলো, অজুতে যেসব অঙ্গ ধৌত করা আবশ্যক—তা ভিজতে হবে।
অর্থাৎ মুখমণ্ডল, দুই হাত কনুই পর্যন্ত, দুই পা টাকনু পর্যন্ত এবং মাথার অন্তত চার ভাগের একভাগ অংশের কোথাও সামান্য শুকনো থাকলেও অজু হবে না। আবার নতুন করে অজু করতে হবে।
(তথ্যসূত্র: আল ফিকহুল ইসলামি ওয়া আদিল্লাতুহু: ১ / ৩৭২, দুররুল মুখতার: ১ / ৩৩২, আল-আশবাহ ওয়া আন-নাজায়ের: পৃ-১৯৯, ফাতাওয়া কাসিমিয়া: ৫ / ৯৭)

মানুষ হিসেবে আমাদের জীবনে ছোট-বড় অনেক গুনাহ হতে পারে। তবে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা তওবাকারী বান্দাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। গুনাহমুক্ত জীবন আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আপনি যদি আপনার পাপ মোচন করতে চান এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চান, তবে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এই দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামের ইতিহাসে মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধি (রহ.) এক কিংবদন্তি পুরুষ। একটি শিখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও সত্যের সন্ধানে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের ভিত কাঁপিয়ে দেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজানে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও কামাচার থেকে বিরত থাকা ফরজ। তবে অনেক সময় আমরা ধূমপান বা কয়েল-আগরবাতির ধোঁয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সংশয়ে থাকি। ইসলামি শরিয়তের আলোকে ধূমপান এবং রোজা ভঙ্গের বিভিন্ন কারণ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
খন্দকের ময়দানে তখন চলছে এক মহাকাব্যিক ব্যাকরণ। মুসলমানেরা দিনরাত পরিখা খনন করছেন। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) তাঁর কোদাল নিয়ে গভীর পরিখা খুঁড়ছেন। কিন্তু আজ তাঁর মনটা ভারী। কারণ তিনি দেখলেন, প্রিয় নবীজি (সা.) ক্ষুধার্ত অবস্থায় পেটে পাথর বেঁধে কাজ করছেন। জাবির (রা.)-এর হৃদয় কেঁপে উঠলো।
৬ ঘণ্টা আগে