
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখনো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। হামলাটি সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক অভিযানের প্রথম দিকে ঘটে এবং এতে বিপুলসংখ্যক শিশু নিহত হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—ইরানের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে অবস্থিত মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয় ‘শাজারেহ তাইয়্যেবেহ’-তে ওই হামলা চালানো হয়। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় অন্তত ১৬০ থেকে ১৭৫ জন শিশু নিহত হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই সাত থেকে বারো বছর বয়সী ছাত্রী। এ ছাড়া এই হামলায় প্রায় এক শ জন আহত হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ঘটনাটি নিয়ে পেন্টাগন তদন্ত করছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর নীতি অনুসরণ করে না। তবে ওই হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের নাকি অন্য কোনো পক্ষের—এটি এখনো স্পষ্ট নয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘটনাকে ‘নিরপরাধ শিশুদের হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাও ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্ত দাবি করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর বলেছে, স্কুল ও শিশুদের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যে বিদ্যালয়টিতে হামলা হয়েছে সেটি আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট একটি ঘাঁটির অংশ ছিল বলে জানা যায়। তবে ২০১৬ সালের পর সেটি আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ঘটনার পর মিনাব শহরে নিহতদের জানাজা ও দাফনে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়। চলমান সংঘাতের মধ্যে এই হামলাটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আলোচিত ও মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চলমান যুদ্ধের মধ্যে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ ও দায় কার—তা নিয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘একের পর এক বিস্ফোরণ, ধ্বংসযজ্ঞ, এখানে যা ঘটছে তা অবিশ্বাস্য। প্রতিটি দিন যেন মনে হচ্ছে একেকটি মাস। মুহুর্মুহু হামলা করা হচ্ছে।’ ইরানের রাজধানী তেহরানের চিত্র তুলে ধরতে এসব কথা বলছিলেন সালার।
৪ মিনিট আগে
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়েছে। যুদ্ধের ষষ্ঠ দিন গতকাল বৃহস্পতিবারও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। সে অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও।
৩৬ মিনিট আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানে এক নজিরবিহীন যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র শুরুর দিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করতে ইসরায়েল ব্যবহার করে তাদের অন্যতম আধুনিক ও বিধ্বংসী অস্ত্র ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক মিসাইল।
৩৯ মিনিট আগে
মিনিটম্যান-৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এবারের পরীক্ষায় এর দুটি রি-এন্ট্রি ভেহিকেল মার্শাল আইল্যান্ডের কোয়াজালিন অ্যাটল পর্যন্ত কয়েক হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে