
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে নতুন কিছু নিয়মকানুনের অনুমোদন দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা সত্ত্বেও ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন কিছু নিয়ম অনুমোদন করেছে।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্সি গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তকে ‘বিপজ্জনক’ এবং ‘বসতি স্থাপন সম্প্রসারণ ও ভূমি দখলের একটি প্রকাশ্য ইসরায়েলি প্রচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কার্যালয় থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে অবিলম্বে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি ‘অবৈধ ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব আরোপ’ এবং ইহুদি বসতিগুলোকে স্থায়ী করার লক্ষ্যেই করা হয়েছে।
অন্যদিকে, হামাস পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ‘দখলদার বাহিনী এবং বসতি স্থাপনকারীদের সাথে লড়াই আরও জোরদার করার’ আহ্বান জানিয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নতুন এই নিয়মগুলোর ফলে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের জন্য অধিকৃত পশ্চিম তীরে জমি কেনা সহজ হবে এবং ওই এলাকার ফিলিস্তিনিদের ওপর আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের আরও অধিকতর ক্ষমতা প্রদান করা হবে।
পশ্চিম তীর, গাজা এবং অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকা হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে পশ্চিম তীরের বেশিরভাগ অংশ সরাসরি ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিছু এলাকায় পশ্চিমা সমর্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) অত্যন্ত সীমিত স্বায়ত্তশাসন রয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট এবং হারেৎজের মতে, নতুন পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সেই নিয়ম বাতিল করা যা ব্যক্তিগতভাবে কোনো ইহুদির জন্য অধিকৃত পশ্চিম তীরে জমি কেনা নিষিদ্ধ করেছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ব্যবস্থার ফলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কিছু ধর্মীয় স্থান ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পাবে এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) অধীনে থাকা এলাকাগুলোতে ইসরায়েলের তদারকি ও আইন প্রয়োগের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের ধারণাকে কবর দেওয়া অব্যাহত রাখব।’
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন আল-শেখ এই পদক্ষেপের বিষয়ে বলেছেন যে, পশ্চিম তীরে দখলদারিত্ব বৃদ্ধি এবং নতুন বাস্তবতা তৈরির এই চেষ্টা সাক্ষরিত ও বাধ্যতামূলক চুক্তির চূড়ান্ত লঙ্ঘন, একটি গুরুতর উস্কানি এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই একতরফা পদক্ষেপগুলোর লক্ষ্য হলো যেকোনো রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্মূল করা, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পথ বন্ধ করা এবং সমগ্র অঞ্চলকে আরও উত্তেজনা ও অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেওয়া।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাষায় এর বিরোধিতা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে