
মিসরের লোহিত সাগর সংলগ্ন রিসোর্ট শহর শারম এল-শেখে গাজা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সম্মেলনে অন্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে মিলিত হতে চলেছেন। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসির সঙ্গে যৌথভাবে এই সম্মেলনের সহ-সভাপতিত্ব করবেন ট্রাম্প। মিসরের আল কাহেরা নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়া থেকে ২০টিরও বেশি দেশের নেতা বা মন্ত্রী যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে এই সম্মেলনে ইসরায়েল ও হামাসের কোনো প্রতিনিধি থাকছে না। থাকছে না মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন সৌদি আরব ও ইরানের কোনো প্রতিনিধি।
যেসব দেশের সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে:
মুসলিম রাষ্ট্র: বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, ওমান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ইউরোপ: আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, ইতালি, স্পেন ও যুক্তরাজ্য।
এশিয়া: আজারবাইজান, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান।
এ ছাড়া, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, আরব রাষ্ট্রগুলোর সংগঠন আরব লীগের মহাসচিব এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টও এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি গতকাল রোববার জানিয়েছেন, তিনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে তেহরান এখনও ‘গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধে’ যেকোনো উদ্যোগকে সমর্থন করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এই সম্মেলনের লক্ষ্য হলো গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের অবসান ঘটানো, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার এক নতুন যুগের সূচনা করা। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার জানিয়েছে, এই ‘ঐতিহাসিক’ সমাবেশে ‘গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের অবসানকারী একটি নথি’ স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই শান্তি আলোচনায় ইসরায়েল বা হামাসের কেউই প্রতিনিধি পাঠাবে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে