
ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন।
অজ্ঞাত স্থান থেকে ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাচাদো জানান, তাঁর নেতৃত্বাধীন আন্দোলন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ী হতে প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তাঁরা ‘প্রতারণামূলক পরিবেশেও’ বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমরা ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পাব।’
এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন মাচাদো এবং মাদুরোকে উৎখাতে তাঁর ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
অনেকেই ধারণা করেছিলেন, মাদুরো আটক হওয়ার পর মাচাদোই ভেনেজুয়েলার নেতৃত্ব নেবেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন আপাতত মাচাদোকে পাশ কাটিয়ে মাদুরোর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে সমর্থন দেয়। তবে রদ্রিগেজকে ‘নির্যাতন, নিপীড়ন, দুর্নীতি ও মাদক পাচারের অন্যতম স্থপতি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মাচাদো। তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দমন-পীড়ন আরও বেড়েছে।
৫৮ বছর বয়সী শিল্প প্রকৌশলী মাচাদো জানান, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ঘোষণার দিন ১০ অক্টোবরের পর তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে আর কথা বলেননি। তবে তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার জনগণের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের ‘সাহসী ও ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সিআইএর বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ট্রাম্প মনে করেন, মাচাদো ও তাঁর সমর্থিত প্রার্থী এদমুন্দো গনসালেস উরুতিয়া নিরাপত্তা বাহিনী ও বর্তমান ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর বাধার মুখে বৈধতা সংকটে পড়তে পারেন। অন্যদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাচাদো নোবেল পুরস্কার পাওয়ায় ট্রাম্প তাঁর ওপর ব্যক্তিগতভাবে বিরক্তও হতে পারেন।
এদিকে মাদুরো আটক হওয়ার দিন জারি করা এক ডিক্রিতে ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সেনা মোতায়েন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও তেল খাত সামরিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানী কারাকাসে অন্তত ১৪ জন সাংবাদিক আটক হন। একই রাতে প্রেসিডেনশিয়াল প্রাসাদের কাছে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে, যা দেশটির চলমান অস্থিরতার গভীরতাই তুলে ধরছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাষায় এর বিরোধিতা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে